চিনা পার্টনারকে সঙ্গে নিয়ে শেষ চারে সানিয়া

নিউইয়র্ক: লিয়েন্ডার পেজ দ্বিতীয় রাউন্ডে ছিটকে গিয়েছেন৷ আর রোহন বোপন্না বিদায় নিয়েছেন কোয়ার্টার থেকেই৷ ইউএস ওপেনে একমাত্র ভারতীয় হিসেবে তেরঙ্গার মান রাখলেন সানিয়া মির্জা৷ সুয়াই পেঙকে সঙ্গী করে ফ্লাশিং মেডোয় শেষ চারে পৌঁছলেন ভারতীয় টেনিসের গ্ল্যামার গার্ল৷

আরও পড়ুন:তৃতীয় রাউন্ডে লিয়েন্ডার,ছিটকে গেলেন সানিয়া-বোপন্না

ভারতের সঙ্গে চিনের যতই শত্রুতা থাকুক না কেন,টেনিস সার্কিটে দারুন ক্লিক করছে সানিয়া-পেঙ জুটি৷ এক ঘন্টা ৫৬ মিনিটের ম্যারাথন ম্যাচে তাঁরা হারিয়েছেন অ্যান্দ্রেয়া হাভাকোভা ও টিমেয়া বাবোসকে৷ ম্যাচের ফল সানিয়দের পক্ষে ৭-৬(৭-৫,৬-৪)৷

- Advertisement -

আরও পড়ুন: হিঙ্গিসের হাতেই শেষ সানিয়া

প্রথম সেট তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর ট্রাইব্রেকারে গড়ায়৷ ট্রাইব্রেকে বাজি মারেন ইন্দো-চিন জুটি৷ দ্বিতীয় সেটেও একসময় ৫-২ এগিয়ে গিয়েছিলেন সানিয়ারা৷ সেখান থেকে ম্যাচ ৫-৪ করে দেন হাভাকোভা ও বাবোস জুটি৷ তবে শেষ রক্ষা করতে পারেনি তাঁরা৷ শেষ চারে প্রাক্তন পার্টনার মার্টিনা হিঙ্গিসের সঙ্গে খেলা পড়েছে সানিয়ার৷ তবে সানিয়া-পেঙ জুটি যা ছন্দে রয়েছেন তাতে পাল্লা ভারি ভারতীয় তারকার সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না৷

আরও পড়ুন: ফ্লাশিং মেডোয় শেষ আটে সানিয়া

অন্যদিকে মহিলা সিঙ্গলসে ১৫ বছর অল-আমেরিকান ফাইনাল দেখতে চলেছে ফ্লাশিং মেডো৷ নবম বাছাই ভেনাস উইলিয়ামসকে হারিয়ে দিলেন সোলানে স্টিফেন্স ৷ ম্যাচের ফল স্টিফেন্সের পক্ষে ৬-১,০-৬,৭-৫৷ অন্যদিকে ম্যাডিসন কি’জ স্ট্রেট সেটে(৬-১,৬-২)হারিয়ে দিয়েছেন কোকো ভ্যান্ডেওয়েগেকে৷

আরও পড়ুন: হিঙ্গিসকে হারিয়ে ফাইনালে সানিয়া

ম্যাচ জেতার আবেগাপ্লুত স্টিফেন্স বলেন,‘ও আমার আইডল৷ আমার অন্যতম কাছের বন্ধু৷ তাই ওর বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলা সহজ ছিল না৷’ অন্যদিকে ম্যাচ হেরে বিমর্ষ লাগছিল ভেনাসকে৷ তিনি বলেন,‘ আমি ভালো খেলতে পারিনি৷ তাই আমি বলতে পারি আমি এখানে সহানুভূতি কুড়োতে আসিনি৷’ তাঁকে প্রশ্ন করা হয় খেলা কি চালিয়ে যাবেন৷ ভেনাস উত্তর দেন,‘ অবশ্যই৷ আমি ভালো ফর্মে আছি৷ তাই খেলা কেন চালিয়ে যাবো না?’

আরও পড়ুন: দেড় দশক পর ফ্লাশিং মেডোয় আবার অল-আমেরিকান ফাইনাল

অন্য ম্যাচে ম্যাডিসন কি’জ স্ট্রেট সেটে(৬-১,৬-২) হারিয়ে দিয়েছেন নিজের দেশেররই ভ্যান্ডওয়েগেকে৷ প্রথমবার কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে উঠলেন ম্যাডিসন৷ ম্যাচের পর তিনি বলেন,‘ জানি না এই চেয়ে ভালো অনুভূতি কখনও আসবে কিনা৷ এই টুর্নামেন্টের আগে দু’দুবার কবজিতে অস্ত্রপ্রচার হয়েছিল ম্যাডিসনের৷ তবে ফাইনালে ওঠার আনন্দে পুরনো কথা ভূলে গিয়েছেন তিনি৷

আরও পড়ুন: ফ্লাশিং মেডোয় দু’দশকের স্মৃতিচারণায় ভেনাস

২০০২ পর এই প্রথম অল-আমেরিকান ফাইনালও দেখতে চলেছে ফ্লাশিং মেডো৷ ১৫ বছর আগে শেষবার মুখোমুখি হয়েছিলেন ভেনাস-সেরেনা৷ সেই ম্যাচে বাজি মেরেছিলেন সেরেনাই৷ এরপরই শুরু হয়েছিল সেরেনা যুগ৷ স্টিফেন্স-ম্যাডিসন ম্যাচ কি তাহলে আবার এক নতুন যুগের সূচনা করতে চলেছে? এই উত্তর কিন্তু সময়ই দেবে৷

Advertisement ---
---
-----