নয়ে নয়, সাত দফায় ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে মোদী-রাহুলের

নয়াদিল্লিঃ  হাতে আর কয়েক মাস বাকি। ইতিমধ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে প্রায় নেমে পড়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। কোথায় জোটের প্রস্তুতি তো আবার কোথায় উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরা। শুধু রাজনৈতিক দলগুলিই নয়, লোকসভা ভোটের আগে চরম ব্যস্ততা নির্বাচন কমিশনেও। বিশেষ করে ইভিএম নিয়ে যাতে কোনও প্রকার ভোটারদের মধ্যে সন্দেহ না থাকে সেজন্যে কোমর বেঁধে নামছে কমিশন। একই সঙ্গে গোটা দেশে কত দফায় ভোট করা যায় সেজন্যে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।

জানা যাচ্ছে, এবার লোকসভা নির্বাচন সাত দফায় করানো যায় কিনা তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। গত বছর গোটা দেশে ন’দফায় ভোট হয়েছিল। এবার তা কমিয়ে আনার ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সহ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সম্মেলন শুরু হয়েছে। নির্বাচন সদনেই ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার নেতৃত্বে এই বৈঠক হয়।

রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। মূলত লোকসভা ভোটের আগে প্রস্তুতি নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে বলে বাংলা এক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত খবর মোতাবেক, কোন রাজ্যে কত বুথ, ভোট করাতে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে, ভোটারদের মধ্যে প্রতিবন্ধীর সংখ্যা কত, তাদের ভোট দেওয়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থার পাশাপাশি ভিভিপ্যাটযুক্ত ইভিএম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে সদ্য হওয়া পাঁচ রাজ্যের ভোটে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ইতিবাচক ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

এছাড়া উল্লেখ্য সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলই ইভিএম মেশিন নিয়ে একাধিক অভিযোগ করেছে। একই সঙ্গে পেপার ব্যালট ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হচ্ছে। কিন্তু তা সম্ভব নয় নির্বাচন কমিশনের কাছে। ফলে সাধারণ মানুষের কাছে ইভিএম নিয়ে যাতে কোনও ভুলবোঝাবুঝি না থাকে সেজন্যে সমস্ত রাজ্যকে ভিভিপ্যাটযুক্ত ইভিএম কী তা ভোটারদের বোঝাতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।

---- -----