উঠে যেতে পারে ফাঁসি

নয়াদিল্লি : ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড, এই আইনে পরিবর্তন আসতে পারে। যুগ যুগ ধরে চলে আসছে এই প্রথা। তাতেই পরিবর্তন আনা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছে সুপ্রিম কোর্ট। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রের মতামত জানতে চেয়েও পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত।

প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানায়, দেশের আইনসভা এই আইনে পরিবর্তন করার বিষয়টি ভাবতেই পারে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনও অপরাধীর মৃত্যু কষ্টে নয় শান্তিতে হওয়া উচিৎ। সেই বিষয় কেন্দ্রকে খতিয়ে দেখার আর্জি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি তিনি সংবিধানকে ‘দরদী’ ও ‘সংগঠিত’ পথনির্দেশক বই হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এদিন মামলাকারী সংবিধানের ২১ নম্বর ধারাকে উল্লেখ করে জানান, জীবনের অধিকার সংক্রান্ত ধারায় বলা হয়েছে, একজন মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত আসামীদের এমন মৃত্যু হওয়া দরকার যা কম কষ্টদায়ক হয়।

তিনি যোগ করেন, ফাঁসি নিঃসন্দেহে মৃত্যুর একটা তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা ও কষ্টদায়ক পন্থা। বিভিন্ন উন্নত দেশে ফাঁসির বদলে গুলি করে, মারণ ইঞ্জেকশন বা ইলেক্ট্রোকিউশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড সারা হয়। এই মর্মে তিনি ক্রিমিনাল প্রোসিডিওর কোডের ৩৫৪(৫) ধারার অবলুপ্তির হয়ে সওয়াল করেন।

মৃত্যুদণ্ডের জন্য অন্য পন্থা অবলম্বন করার দাবি নিয়ে যে আবেদন জমা পড়েছে, তাতে আইন কমিশনের ১৮৭তম রিপোর্টকে হাতিয়ার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওই রিপোর্টে ফাঁসি তুলে অন্য রাস্তা অবলম্বন করার সুপারিশ করা হয়েছিল।

Advertisement
----
-----