ফ্যাশনের রঙ মিশবে দুঃস্থ বাচ্চাদের মুখের হাসিতে

ফ্যাশন শো মানেই উছলে পড়া গ্ল্যামারের ছটা৷ কিন্তু মার্জার সরণির পথ বেয়ে হেঁটে আসছে পথশিশুরা  এ দৃশ্য সচরাচর চোখে পড়ে না৷ কিন্তু তাইই সত্যি হবে ‘সিডজ-অ্যান ইনিশেয়সন ফর বেটার টুমরো’র অনুষ্ঠানে৷ হোপ ফাউন্ডেশনের শিশুদের সঙ্গে হাতে হাত রেখে মার্জার সরণি ধরে হাঁটবেন টলি সেলেবরা৷ সম্প্রতি হয়ে গেল সেই অনুষ্ঠানের ঘোষণা৷উপস্থিত ছিলেন হিরণ, এনা সাহা প্রমুখ৷Seedz-fashion-2

ফ্যাশন মানেই স্বচ্ছ্বল শ্রেণির বিলাসিতা-এ গতানুগতিক ধারণা ভেঙে দিয়ে নতুন পথ খুঁজছে ফ্যাশন শোয়ের আয়োজকরা৷ থিম ফ্যাশনের জমানায় নানা আঙ্গিকে উঠে আসছে ফ্যাশনের দুনিয়া৷ সেই ঘরানাতেই নতুন মাত্রা সংযোজন করতে চলেছে এই অনুষ্ঠান৷ কারণ এখানে ফ্যাশন শুধু জীবনের বিলাসিতা নয়, বরম জীবনের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷ দুঃস্থ বাচ্চাদের হাত ধরেই  এগোবে এ ফ্যাশন শো৷ কলকাতার হোপ ফাউন্ডেশন বরাবরই সকল বাচ্চাদের স্বাভাবিক ঝীবন ফিরিয়ে দিতে প্রয়াসী৷ তাঁদের প্রয়াসে এবার সামিল তারকারাও৷ সেলেবমহলের গ্ল্যামার আর রঙের উচ্ছ্বাসে যেন এই সমস্ত বাচ্চাদের মুখেও রঙিন হাসি বয়ে আনে, তারই চেষ্টা এ উদ্যোগে৷ আর তাই জুন মালিয়া, আবির চট্টোপাধ্যায়, ডিম্পি গাঙ্গুলি থেকে শুরু করে বলি-টলি পাড়ার একঝাঁক তারকারা সানন্দে হাত মিলিয়েছেন এ প্রয়াসে৷

Enaএই ভাবনা যিনি ভেবেছেন তিনি ডালিয়া মুখোপাধ্যায়৷ অনুষ্ঠানের ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি জানালেন, এ মুহূর্ত কতখানি গর্বের৷ সমাজে যাঁরা প্রতিষ্ঠিত, তাঁরাই যদি সামাজিক প্রয়োজনে এগিয়ে আসেন, নিজেদের জীবনের লড়াই দিয়ে আর পাঁচজনকে উদ্বুদ্ধ করেন, তবে তার থেকে ভালো আর কিছু হয় না৷ তাইই হতে চলেছে এ অনুষ্ঠানে, আর তাই স্বভাবতই খুশী তিনি৷ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নায়ক হিরণও জানালেন, সবসময় টাকার জন্য কাজ করার থেকে, এরকম সামাজিক কাজে জড়িয়ে থাকার গুরুত্বই অন্যরকম৷

১৩  জুন শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে বসবে এই ফ্যাশনের আয়োজন৷ শো স্টপার হবেন সোহা আলি খান ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত৷

---- -----