মুম্বই: বাজার খোলার বেশ কিছু সময়ের পরই ধস নামল সেনসেক্সে৷ ৩১৪.৮৪ পয়েন্ট কমে শেয়ার সূচক ৩৭,৬০৭.৩৩ -এ ঠেকেছে৷ ৯৬.৪৫ পয়েন্ট কমে নিফটির সূচক ১১,৩৪১.৬৫৷ সবচেয়ে বেশি লোকসানে আইটিসি, এইচডিএফসি, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রি, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসর শেয়ার৷

লোকসানে থাকা বড়সড় এই শেয়ারগুলি নিয়ে চিন্তা বাড়ছে৷ কারণ, প্রথম সারির শেয়ারেই লোকসানে থাকলে গোটা সপ্তাহ জুড়ে শেয়ার সূচকের চিত্রটা খুব একটা সুখকর হবে না বলে মনে করছেন বিশেষঞ্গরা৷ এখনও পর্যন্ত মুখ থুবড়ে পড়েছে মোট পাঁচ উর্ধ্বমুখীতে থাকা শেয়ার৷ যেগুলি হল- আইটিসি, পাওয়ারগ্রিড কর্পোরেশন, হেরো মোটোক্রপ, ভারতী এয়ারটেল, টাটা স্টিল৷ এছাড়ার বাড়ন্ত তেলের দাম, নামতে থাকা টাকার দর, দুইয়ের অসহোযোগিতায় প্রভাবিত হচ্ছে শেয়ার বাজার৷

Advertisement

পড়ুন:আগুনের কবলে মুম্বইয়ের মধু ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট

পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, ২৫ বিপিএসে সুদের হারও বাড়িয়েছে আরবিআই৷ আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক ধাক্কা খাচ্ছে এশিয়ান শেয়ার৷ বিদেশি ও দেশীয় শেয়ারের কেনাবেচায় আরও স্পষ্ট হচ্ছে,কতটা লোকসানের মুখে দেশের শেয়ার৷ সোমবারের হিসেব বলছে, যেখানে বিদেশি শেয়ার ৮৪১.৬৮ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেখানে দেশীয় শেয়ারের পরিমান ২৮৯.৬৬ কোটি৷

দিনের শেষে সেনসেক্স ৫০৯.০৪ পয়েন্ট নেমে অবস্থান করছে ৩৭,৪১৩ পয়েন্টে৷ অন্যদিকে নিফটিও ১৫০.৬০ পয়েন্ট নেমে অবস্থান করছে ১১,২৮৭ পয়েন্টে৷ এদিকে গত ২ দিনে লগ্নিকারীদের প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকা উবে গিয়েছে৷ কারণ, গত ২দিনে সেনসেক্স নেমেছে প্রায় হাজার (৯৭৬) পয়েন্ট৷

শেয়ার বাজারে মন্দাভাব থাকবে ১ সপ্তাহ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ আমেরিকা-ইরান তেল যুদ্ধ শেয়ার ধসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে৷ ইরানকে বাণিজ্য শূন্য করার লক্ষে আমেরিকা৷ ইরানের তেল রপ্তানি বয়কটের মার্কিন ফতোয়ায় সাড়া দিয়েছে বেশ কয়েকটি দেশ৷ আর তার জেরে ভারতের শেয়ারে মন্দাভাব চলছেই৷ তেজি ভাব মাঝে থাকলেও আবার মন্দায় বাড়ছে চিন্তা৷

----
--