তারাপীঠের লজে রমরমা মধুচক্রের আসর, ধৃত আট

স্টাফ রিপোর্টার, তারাপীঠ: ট্যুরিস্ট লজে হানা দিয়ে মধুচক্রের খোঁজ পেল পুলিশ৷ তারাপীঠের ঘটনা৷ তিনজন মহিলা-সহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করে তারাপীঠ থানার পুলিশ৷ রবিবার তাদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়। দায়রা বিচারক সৌভিক ভট্টাচার্য ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন৷

সিউড়ির পর এবার তারাপীঠ৷ তারাপীঠের লজে মধুচক্রের আসর। যদিও এ অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উঠছে৷ শুধু এ রাজ্যের নয় পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ড-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তারাপীঠে আসে মধুচক্রের চাঁইরা৷ শুধু মধুচক্র নয়, তারাপীঠ থেকে বহু অপরাধের নীল নকশা তৈরির অভিযোগও রয়েছে৷

আরও পড়ুন: সোমবার শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চায়েত মামলার রায়!

- Advertisement -

এর অন্যতম কারণ হিসাবে এলাকার লোকজন পুলিশকে দায়ী করেন৷ অভিযোগ, এখানে পুলিশি অতটা সক্রিয় নয়৷ বিভিন্ন সময় পুলিশের পক্ষ থেকে লজে ওঠা যাত্রীদের পরিচয়পত্র নিতে বলা হয়। একসময় তা বাধ্যতামূলকও করা হয়েছিল। কিন্তু এক শ্রেণির লজ ব্যবসায়ী পরিচপত্র ছাড়াই যাত্রীদের মোটা টাকায় লজের ঘর দিয়ে দেওয়ায় তারাপীঠ দিন দিন অপরাধের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ।

তবে মাঝেমধ্যে উপরমহলের নির্দেশে লজগুলিতে অভিযান চালায় পুলিশ। শনিবার রাতে তেমনই অভিযান চালাতে গিয়ে আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে তিনজন মহিলা, চারজন পুরুষ রয়েছে। তাদের বাড়ি মালদহ, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের নলহাটিতে৷

আরও পড়ুন: বিরোধীরা অসমে গণ্ডগোল বাধাতে চাইছে, দাবি দিলীপের

গ্রেফতার করা হয়েছে লজের ম্যানেজারকেও। রবিবার তাদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে বিচারক সৌভিক ভট্টাচার্য তাদের ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সরকারি আইনজীবী সুরজিৎ সিনহা বলেন, “চারজন পুরুষ এবং তিন জন মহিলা দেহব্যবসার জন্য দু’টো লজে উঠেছিল। তাদের আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায়৷ এরপরই তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সব জেনেও তাদের ঘর দেওয়ার জন্য হোটেল ম্যানেজারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ফের ১৭ আগস্ট তাদের আদালতে তোলা হবে৷’’

Advertisement ---
---
-----