নয়াদিল্লি: বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দফতরে যৌন হেনস্থা খুব চেনা সমস্যা৷ এবার তারই বিরুদ্ধে কড়া হচ্ছে আইন৷ নতুন দুর্নীতি বিরোধী আইন বা Anti-Corruption law অনুসারে অফিসে কাজ আদায়ের জন্য যৌন আবেদন ও হেনস্থা দুটোই দণ্ডনীয় অপরাধ৷ অভিযোগ প্রমাণ হলে অভিযুক্তের ৭ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে৷

২০১৮-র দুর্নীতি দমনের সংশোধনী বিল অনুসারে, অফিসের কাজ আদায়, বা গাফিলতি ঢাকতে উর্ধ্বস্তন কর্তৃপক্ষকে ‘ঘুষ’ দেওয়ার পথ বাছেন কর্মচারীরা৷ এই ‘ঘুষ’ টাকা লেনদেন একেবারেই নয়৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ‘ঘুষ’ হিসেবে যৌনতা-কে সংশোধনী বিলে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ অর্থাৎ, অনেক সময়ই অধস্তনকে বাধ্য করা হয়, বা কখনও স্ব-ইচ্ছাতেও অধস্তন কর্মী যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন৷ যা প্রমাণ হলে অধস্তন ও উর্ধ্বস্তন ২ জনেই শাস্তির মুথে পড়বেন৷

Advertisement

আরও পড়ুন: সন্ন্যাসিনীর মৃত্যু ঘিরে নতুন বিতর্ক কেরলে

আইন অনুসারে থানায় এই আইনকে হাতিয়ার করে অভিযোগ দায়ের করা যাবে৷ সংশোধিত আইনে স্পষ্ট হল, পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্যে কাজের জায়গায় যৌন আবেদন বা হেনস্থা কোনওভাবেই কাম্য নয়৷ শুধু তাই নয়, নতুন বিল অনুসারে, অফিসের কোনও কর্মচারীর কাজে খুশি হয়ে তাকে ব্যক্তিগত ভাবে বড়সড় উপহার দিতে পারবে না উর্ধ্বস্তন কর্তৃপক্ষ৷

বড়সড় উপহার অর্থাৎ, সম্পত্তি কিনে দেওয়া, বিদেশ ভ্রমণের মত বিষয়গুলিকে আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুমতি ছাড়া কোনওভাবেই এই ধরণের কাজ করা যাবে না৷

আরও পড়ন: মণিপুরি জঙ্গি সংগঠনের কমান্ডার ধৃত কলকাতায়

চলতি বছরের জুলাই মাসে কেন্দ্র সংশোধনী বিল আনে, যাতে সম্মতি দেন রাষ্ট্রপতি রামনন্দ কোভিন্দ৷ এরপরই পার্লামেন্টে পাশ হয় সংশোধিত Anti-Corruption Law৷ যার দ্বারা অনেকাংশে বিভিন্ন দফতরের অন্দরের দুর্নীতি সাফ করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

----
--