‘সব গুণ থাকা সত্ত্বেও কেন মন্ত্রী করা হল না আমাকে? ‘

বারাণসী: জল্পনা চরমে৷ যে কোনও দিন বিজেপি ছাড়তে পারেন সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা৷ একের পর এক তোপ তিনি দেগেছেন তাঁর বর্তমান দলের বিরুদ্ধে৷ এবার নতুন করে বিস্ফোরণ ঘটালেন তিনি৷ তাঁর প্রাক্তন সহকর্মী যশবন্ত সিনহার দেখানো পথে হেঁটেই তিনি বিরুদ্ধে গেলেন বিজেপির৷

তাঁর প্রশ্ন মন্ত্রী হওয়ার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁকে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হল না! এই ইস্যুতে মোদী সরকারকে তুলোধনা করেন তিনি৷ বিজেপিকে এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে বলে দাবি করেন শত্রুঘ্ন সিনহা৷

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে দাঁড়িয়ে আম আদমী পার্টির জনসভায় এই প্রশ্ন তোলেন বিজেপির এই সাংসদ৷ এই জনসভায় টেলিফোন মারফত বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহা৷ তিনি বলেন দেশে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে৷ যা ঘোষিত জরুরি অবস্থার থেকেও ভয়ঙ্কর৷

এরআগে, কর্ণাটকে বিজেপির সরকার গড়াকে তুলোধনা করেন শত্রুঘ্ন সিনহা৷ তিনি বলেন ‘জনশক্তি’ তুলনায় ‘ধনশক্তি’-র রাজনীতকে প্রাধান্য দেওয়া– না গ্রহণযোগ্য না কাম্য। একের পর এক টুইটের মাধ্যমে দলের সমালোচনার পাশাপাশি কংগ্রেস ও জেডিএস-এর জোটের হয়েও জোর সওয়াল করেন পটনা সাহিবের সাংসদ। তাঁর মতে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় কর্নাটকে সরকার গঠনের সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল কং-জেডিএস জোটের।

টুইটারে শত্রুঘ্ন লেখেন, কেন আমরা আগুন নিয়ে খেলা করছি? গণতন্ত্রের-ভক্তরা গোটা সিস্টেমকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে। গণতন্ত্রের মূল্য নিয়ে যাঁরা বক্তৃতা দিতে ভোলেন না, তাঁরাই রাজনীতিকে ধ্বংস করছে।

তিনিই প্রথম বিজেপি সাংসদ, যিনি বলেন নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। আর এটা আমাদের মেনে নেওয়া উচিত। প্রাক্তন অভিনেতার মতে, জিএসটিও যেমনটা ভাবা হয়েছিল, তেমনভাবে প্রয়োগ করা হয়নি।

পাটনা থেকে বিজেপির হয়ে লড়ে জয় পান শত্রুঘ্ন। তাঁর দাবি, প্রথম থেকেই নোট বাতিলের বিরুদ্ধে ছিলেন তিনি। এর ফলে অনেকে নিজেদের চাকরি হারিয়েছেন। হারিয়েছেন নিজেদের জমানো সম্পদ। যেটা ভুল সেটা মানতে আপত্তি কোথায়? প্রশ্ন তোলেন সাংসদ। তাঁর মতে বিজয়ের মতো অভিনেতা জিএসটি নিয়ে সওয়াল তুলে ভালই করেছেন। আর তা সম্পূর্ণ বৈধ।

Advertisement
---
-----