জঙ্গিদের মোকাবিলায় সত্যাগ্রহ নীতি নেবে কেন্দ্র? তোপ জেটলির

নয়াদিল্লি: রাষ্ট্রপতি শাসন ও পেশিশক্তি দিয়ে কাশ্মীরে আদৌ শান্তি ফেরানো যাবে না বলে সংশয় প্রকাশ করছেন কংগ্রেস নেতারা৷ এই পরিস্থিতিতে কংগ্রসের এহেন মনোভাবকে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি৷ ফেসবুকে চাঁচাছোলা ভাষায় তিনি জানান, তাহলে কী জঙ্গিদের মোকাবিলায় সত্যাগ্রহ নীতি নেবে কেন্দ্র?

ফেসবুকে তিনি একাধিক প্রশ্ন তোলেন৷ বলেন, ‘‘যারা ফিঁদায়ে কায়দায় হামলা চালায় তারা মরতে যেমন ভয় পায় না, তেমনই কারোর প্রাণ নিতেও পিছপা হয় না৷ এদের সঙ্গে সমঝোতায় কি সত্যাগ্রহের পথ বেছে নেওয়া উচিত? যেসব জঙ্গিরা আত্মসমর্পণে রাজি নয় অথবা অস্ত্রবিরতিতে সাড়া দেয়নি তাদের সঙ্গে আইন অমান্যকারীর মতোই আচরণ করা উচিত৷ এটা পেশিশক্তি নয়৷ এটাই হচ্ছে আইনের শাসন৷

তিনি আরও বলেন, কাশ্মীরের নাগরিকদের রক্ষায়, সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে একটা নীতি গ্রহণ করতেই হবে৷ সেখানে ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে৷ সুস্থ ও স্বাভাবিক পরিবেশে বাঁচার অধিকার কাশ্মীরিদেরও আছে৷ কাশ্মীরকে সুরক্ষার অর্থ দেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা৷

- Advertisement -

তিনি সাফ জানিয়ে দেন, কেন্দ্রের নীতি হল প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকারকে রক্ষা করা৷ সে আদিবাসী হোক অথবা কাশ্মীরি৷ ফেসবুকে মাওবাদী সমর্থিত মানবাধিকার সংগঠনগুলিকেও একহাত নেন জেটলি৷ জানান, মাওবাদী সমর্থিত মানবাধিকার সংগঠনের কাজ হল বিচ্ছিন্নতাবাদকে সমর্থন করা, হিংসা ছড়ানো৷ সেটা কাশ্মীর হোক কিংবা ছড়িশগড়ে৷ এই সব ঘটনা দেশের সুনাম নষ্ট করে৷

Advertisement
---