হলদিয়া: মাত্র সাত বছর৷ এরইমধ্যে সব শ্রেণির মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যা কাজ করেছেন ভূ-ভারত কেন, পৃথিবীর কোনও রাষ্ট্র সে কাজ করতে পারেনি৷ তিনি সকলের কাছে নজির৷ শনিবার হলদিয়ার চৈতন্যপুর বিবেকানন্দ মিশন মহাবিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷

Advertisement

শুভেন্দু বলেন, সবুজসাথীর সাইকেল নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা স্কুল-কলেজে যাবে, এসসি, তফশিলি জাতিভূক্ত ছেলেরা শিক্ষাশ্রীতে ১০০০ টাকা করে স্কলারশিপ পাবে, আমার মুসলিম, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ভাইয়েরা সংখ্যালঘু দফতরের স্কলারশিপ পাবে, হোস্টেলে থাকা, পড়াশোনার জন্য স্কলারশিপ পাবে-স্বাধীনতার এতগুলো দশক পার করেও এক সময় তা ভাবা হত না৷ কিন্তু এগুলি এখন বাস্তব৷

প্রাইমারির ছেলে-মেয়েদের জন্য ব্যাগ, জুতো, মোজা, খাওয়ার থালা-সহ একাধিক জিনিস দেওয়া হচ্ছে৷ এমনকী মাধ্যমিকে পাঠ্যপুস্তকও দেওয়া হচ্ছে৷ এসবের পরও মেয়েদের জন্য কন্যাশ্রী রয়েছে৷ এ সবকিছুই হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের জন্য৷ আগামী দিনে মুখ্যমন্ত্রীর মাথায় অনেক চিন্তাভাবনা রয়েছে৷ শুধু রাজ্য নয়, দেশের মানুষও যাতে শান্তিতে জীবন কাটাতে পারেন তার চেষ্টা করে যাচ্ছেন৷

এদিন ছিল চৈতন্যপুর বিবেকানন্দ মিশন মহাবিদ্যালয়ে সুবর্ণজয়ন্তীবর্ষ উদযাপনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান৷ সেখানে শুভেন্দু অধিকারী স্টুডেন্ট ইউনিয়নগুলিকে শিক্ষক, অধ্যাপকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দেন৷ তিনি বলেন, স্কুল, কলেজে মারামারি ও অশান্তি করা যাবে না। এতে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়। শিক্ষাঙ্গন পবিত্রভূমি৷ এই পবিত্রতা বজায় রাখার দায়িত্ব পড়ুয়াদের নিতে হবে৷ এদিনের অনুষ্ঠানে কার্যত সে বার্তাই দিলেন এই মন্ত্রী৷

----
--