স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: দুর্গাপুজো শেষ৷ কিন্তু তাতে কি? উৎসবের মেজাজ এখনও রয়েছে হুগলির চন্দননগরে৷ একেবারে ষষ্ঠী থেকে দশমী ধুমধাম করে পালিত হয় জগদ্ধাত্রী পুজো৷ কিন্তু যতই তা হোক গঙ্গার ওপার৷ উৎসব মানেই আনন্দ৷ তাই, খুশিতে মজেছে শ্যামনদরবাসীও৷

শনিবার জগদ্ধাত্রী পুজোর মহা নবমী। গঙ্গার এক পারে অবস্থিত হুগলির চন্দননগর, অপর পারে অবস্থিত উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগর। আর রীতিমতো চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর সঙ্গে পাল্লা দিয়েই জনপ্রিয়তা বেড়েছে শ্যামনগরের জগদ্ধাত্রী পুজোরও। থিমের ছোঁয়ায় সেজে উঠেছে শ্যামনগরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপগুলি৷ আর এই জগদ্ধাত্রী পুজোয় কার্যত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে শ্যামনগর ও চন্দননগরের মধ্যে৷

শ্যামনগরের জগদ্ধাত্রী পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম বড় পুজো হল শ্যামনগর নবদয় সংঘের পুজো। এই বছর পুজোটি ৩৮ বছরে পড়ল। বাংলার ঐতিহ্যশালী মধুবনী শিল্পকে থিম হিসেবে বেছে নিয়েছে এখানকার পুজো উদ্যোক্তারা। মধুবনী শৈল্পিক নৈপুণ্যে শ্রীকৃষ্ণের লীলা খেলাকে মণ্ডপ সজ্জায় ফুটিয়ে তুলেছেন পুজোর উদ্যোক্তারা। সমান্তরাল আলোকসজ্জাও দর্শনার্থীদের মন কাড়ছে এখানকার জগদ্ধাত্রী পুজোয়।

তাদের পুজো নিয়ে উদ্যোক্তারা জানান, দর্শনার্থীদের কাছে এই পুজোর আকর্ষণ ক্রমশ বাড়ছে। উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগরের এই পুজো প্রমাণ করে দিয়েছে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর স্পর্শে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শ্যামনগরের জগদ্ধাত্রী পুজোও। তাই চন্দননগরের পাশাপাশি শ্যামনগরের পুজো দেখার আর্জি জানিয়েছে এই পুজো উদ্যোক্তারা৷

----
--