রামভক্তের স্কিমে সোনা রেখে সিদ্ধিবিনায়কের লক্ষ্মী লাভ হবে ৬৯ লক্ষ

মুম্বই:  মন্দিরে প্রচুর সোনা রয়েছে। আর সেখান থেকেই বছরে প্রায় ৬৯ লক্ষ টাকা সুদ বাবদ আয় হবে। গোটা দেশের মধ্যে সবথেকে ধনী মন্দির সিদ্ধিবিনায়ক তাদের ভাণ্ডারে জমা থাকা মূল্যবান ধাতুসামগ্রীর মধ্যে ৪০ কেজি সোনা কেন্দ্র সরকারের গোল্ড মানিটাইজেশন প্রকল্পের আওতায় জমা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর থেকে মন্দির বছরে সুদ বাবদ আয় করবে প্রায় ৬৯ লক্ষ টাকা। শুধু সিদ্ধিবিনায়ক নয়, এত সুদ পাওয়া যাবে দেখে সিদ্ধিবিনায়কের পথে হাঁটতে যাচ্ছে তিরুমালা ও শিরডির মন্দির ট্রাস্টও।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গোল্ড মানিটাইজেশন প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি।  এখনও পর্যন্ত মাত্র ৪০০ গ্রাম সোনা জমা পড়েছে। একটি হিসেব বলছে, বর্তমানে ভারতে প্রায় ২০ হাজার টন সোনা পড়ে রয়েছে, যা কোনও কাজে লাগে না। এর মূল্য প্রায় ৫২ লক্ষ কোটি টাকা।
সিদ্ধিবিনায়ক মন্দির তাদের জমা সোনা সরকারের ঘোষিত প্রকল্পের আওতায় জমা দিলেই সেগুলি গলিয়ে সোনার বিস্কুট তৈরি করা হবে। মন্দিরে মূলত সোনার অলঙ্কার দান করা হয়। তাই গলানোর পর আসল সোনার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৩০ কেজি। প্রতি ১০ গ্রামে ২৫ হাজার টাকার হিসেবে ওই সোনার মূল্য হবে সাড়ে সাত কোটি টাকা। এর থেকে পাওয়া বার্ষিক সুদের দার হবে ৬৯ লক্ষ টাকা। সিদ্ধিবিনায়কে জমা সোনার মোট পরিমাণ ১৬৫ কেজি। এর মধ্যে বার্ষিক ১ শতাংশ সুদে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় জমা রাখা হয়েছে ১০ কেজি সোনা।

----
-----