শীতে ত্বকের রুক্ষতা সারান ঘরোয়া টোটকায়

শীত পড়ে গিয়েছে৷ সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে ত্বকের রুক্ষতার দৌরাত্ম্য৷ কিন্তু এর হাত থেকে বাঁচতে কত ক্রিম মাখবেন? ঘরোয়া উপায়ে মোকাবিলা করা যায় এই ধরণের সমস্যাকে৷ আসুন জেনে নিই, ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করে কীভাবে ত্বকের রুক্ষতা ও শুষ্কতার মোকাবিলা করবেন৷

১. ক্লিনজার ব্যবহার
ঠান্ডা দুধে তুলো ভিজিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন৷

- Advertisement -

এর চেয়ে ভালো ক্লিনজার আর দুটি পাবেন না৷ এতে ত্বক থাকবে মসৃণ৷

২. স্ক্রাব ব্যবহার
শীতকালে খুব বেশি স্ক্রাব ব্যবহার করা উচিত নয়। তাই রুটিন করে সপ্তাহে দুবার মৃদু স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। ঘরোয়াভাবে স্ক্রাব তৈরি করতে লাগবে পাকা কলা (থেঁতলানো) দুই টেবিল চামচ, আপেল (থেঁতলানো) দুই টেবিল চামচ ও মধু এক টেবিল চামচ।

সব উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে পুরো মুখে দুই মিনিট ম্যাসাজ করে নিন। এরপর কুসুম গরম জল দিয়ে ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন।

৩. টোনার ব্যবহার
গোলাপ জল খুবই উত্তম টোনার হিসেবে কাজ করে। ১/২ লিটার জলে ৫টি ডিস্টিল ওয়াটার ও ৮টি গোলাপের পাপড়ি মিশিয়ে অল্প আঁচে ফোটান৷

যখন জলের রং প্রায় বেগুনি হয়ে আসবে, তখন মিশ্রণটি গ্যাস থেকে নামিয়ে নিন৷ ঠান্ডা করে ছেঁকে নিলেই তৈরি আপনার গোলাপ জল৷ এই জল আপনি এক মাস ধরে ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করতে পারেন৷ প্রতিদিন ২-৩ বার আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

৪. ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার
সব ধরনের ত্বকের জন্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।

প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকে হালকা উষ্ণ আমন্ড অয়েল কিংবা ভার্জিন অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করুন।

৫. ফেসপ্যাক ব্যবহার
ত্বকের কোমলতা ও লাবণ্য ধরে রাখতে ‘বাটার মিল্ক প্যাক’ ব্যবহার করতে পারেন। মালাই বা ফ্রেশ বাটার মিল্কের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট রেখে কুসুম গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

এ ছাড়া অ্যাভাকাডোতে আছে বিভিন্ন ময়েশ্চারাইজিং উপাদান, যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। পাকা অ্যাভাকাডো থেঁতলে মুখে লাগান এবং ১০-১৫ মিনিট রেখে কুসুম গরম জল দিয়ে মুখে ধুয়ে নিন। এটি ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করবে।