‘ট্রেনের বার্থে জিনসের ভিতর হাত ঢুকিয়ে দিচ্ছিল কেউ’

মুম্বই: #MeToo ক্যাম্পেনে এক ভয়ঙ্কর সত্য সামনে আনলে সঙ্গীতশিল্পী সোনা মহাপাত্র। মাত্র ১১ বছর বয়সে পরিচিত এক ব্যক্তির যৌন লালসার শিকার হয়েছিলেন তিনি। আর সেই স্মৃতি আজও কুরে খায় তাঁকে। সেকথাই প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি।

জানিয়েছেন, এক মালয়ালি কাকার সঙ্গে ট্রেনে যাত্রা করছিলেন তিনি। সেখানেই কাকার বিকৃত যৌন লালসার শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। লোয়ার বার্থে শুয়েছিলেন তিনি। আচমকাই অনুভব করেন তাঁর জিনসের ভিতর কেউ হাত ঢুকিয়ে দিয়েছে। চোখ খুলে দেখেন সেদিন উপরের বার্থ থেকে হাত বাড়িয়ে তাঁর জিনস খুলে হাত ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। ভয়ে, ঘৃণায় সেদিন সিঁটিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। মুখ থেকে টু শব্দটাও বার করতে পারেননি।

আরও পড়ুন: অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘বেড শেয়ার’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নওয়াজউদ্দিনের

- Advertisement -

প্রসঙ্গত, মেয়ের কীভাবে প্রতিপদে যৌন লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়, তা নিয়েই এই ‘মি টু’ ক্যাম্পেন। সেখানেই সুর চড়ান এই গায়িকা। জীবনে চলার পথে অনেকক্ষেত্রে তিনিও এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন বলে জানান। ছোট্ট বয়সে তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা কীভাবে তাঁর শৈশবে প্রভাব ফেলেছিল, তাও জানান তিনি। সোনার কথায়, এই ঘটনার অনেক দিন পরও রাতে একা ঘুমোতে পারতেন না তিনি, অন্ধকার ঘরে থাকতে ভয় পেতেন, নিজেকে সব কিছু থেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন সোনা। একসময় অন্ধকার ঘরে বোন, বন্ধুদের সঙ্গে খেলতেও চাননি তিনি। যদিও তাঁর বাবা-মা সেদিন আসল কারণটা বোঝেননি।

ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময়েও এই আতঙ্ক পিছু ছাড়েনি তাঁর। তখনও নাকি ট্রেনে বার্থে শুলে সেই কথাই মনে পড়ত সোনার। এরপর একবার দিল্লিতে বাসের মধ্যেও সহযাত্রীর বিকৃত মানসিকতার শিকার হয়েছিলেন সোনা। ক্যাম্পেনে সকলের সঙ্গে এই কথা শেয়ার করতে পেরে, তিনি অনেক হাল্কা বোধ করছেন বলেও জানান। তবে কর্মস্থলে তিনি সহকর্মীদের কাছ থেকে যে সম্মান, ভালোবাসা পেয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত।

আরও পড়ুন: ‘যৌনপল্লিতে স্বামীর সঙ্গে অন্য মহিলার যৌন সম্পর্ক বসে দেখতে বাধ্য করা হত’

Advertisement ---
---
-----