মায়ের ক্যান্সার! এখবর শোনার পর সোনালির ছেলের রিঅ্যাকশন

মুম্বই: ‘মা’ আমাদের জীবনে দেওয়া ভগবানের সেরা গিফট। সেই ‘মা’ ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে। হাই-গ্রেড ক্যানসারে আক্রান্ত সে। আদৌ ঠিক হতে পারবে কিনা জানা নেই। তবে এই সত্যি জানার পর একটুও ভয় পেল না সোনালির বারো বছরের ছেলে রণবীর বহেলের।

ছেলেকে নিজের অসুস্থতার খবর কীভাবে জানাবে অভিনেত্রী। কিছুটা ভয় আর অনেকটা খারাপ লাগা নিয়ে যখন ছেলেকে জানালেন ক্যানসার হয়েছে তাঁর তখন মা’কে একেবারে চমকে দিলেন রণবীর। শ্যাল মিডিয়ায় নায়িকা জানিয়েছেন, এত বড় খবরটাকে বেশ পরিণতভাবেই গ্রহণ করেছেন ১২ বছরের কিশোর। বরং মাকে নিয়মিত আশা দিয়ে যাচ্ছে সে-ই। সবচেয়ে বেশি মায়ের সঙ্গে কাটাচ্ছে। কখন কী ওষুধ খেতে হবে, কী নিয়ম মেনে চলতে হবে তাও রণবীর মনে করিয়ে দিচ্ছে।

ছবি: ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে

সঙ্গে তিনি আরও লিখেছেন বাড়িতে কোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটলে কিংবা খারাপ খবর এলে সাধারণত ছোটদের বলা হয় না। মনে করা হয়, বিষয়টি তারা ঠিক বুঝে উঠতে পারবে না। কিন্তু এ ধারণা একদম ভুল। এমনটাই জানালেন সোনালি। তাঁর মতে, ছোটরা এমন বিষয় ভাল বুঝতে পারে। এবং অনেক সময় এমন পরিস্থিতিকে বড়দের থেকেও বেশি ভালভাবে সামলাতে পারে। তাই এমন ঘটনা অবশ্যই তাদের জানানো প্রয়োজন। কারণ তারাই পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।

ছবি: ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে
- Advertisement -

আরও পড়ুন: হিনা খানের নতুন নাম ‘গোল্ড ডিগার’

হাই গ্রেডের ক্যান্সারে আক্রান্ত তিনি৷ তাঁর এই অসুস্থতার কথা খোলসা করে একটি ইমোশনাল স্টেটমেন্ট দিয়েছেন সোনালি৷ তাঁর স্টেটমেন্টে লেখা, “যখন আমরা খারাপ কিছু আশা করি না, তখনই জীবন তোমাকে চমক দিয়ে বসে৷ সম্প্রতি আমি হাই গ্রেড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছি৷

ছবি: ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে

চিকিৎসাও শুরু হয়ে গিয়েছে৷ বেশ কয়েকদিন ধরে আমি শরীরে ব্যাথা অনুভব করছিলাম৷ ডাক্তারের কাছে যেতেই চিকিৎসা শুরু হয়৷ পরীক্ষা নিরীক্ষা হওয়ার পর জানতে পারি আমি ক্যান্সারে আক্রান্ত৷ আমার পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ৷ তাঁরা আমার পাশে যেভাবে এসে দাঁড়িয়েছেন, আমায় যেভাবে আমার সহযোগীতা করেছেন, তা আমি বলে বোঝাতে পারব না৷ আমি খুবই ভাগ্যবান যে আমি এমন মানুষদের আমার পাশে পেয়েছি৷ তাঁদের প্রত্যেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি৷

আরও পড়ুন:  ‘কবীর’র সিক্যুয়েল নিয়ে আসছেন দেব?

ছবি: ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে

আমার এমনই পরিস্থিতি ছিল যা সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া সামলানোর আর কোনও উপায় ছিল না৷ সেই কারণে আমার চিকিৎসকরা আমায় যা যা উপদেশ দিয়েছেন, সেটাই অনুসরণ করে যাচ্ছি৷ আপাতত আমার চিকিৎসা নিউ ইয়র্কে চলছে৷ আমরা খুব আশাবাদী৷ প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা খুব দৃঢ়৷ আশা করছি যাতে জীবনের এই লড়াইয়ে জয়ী হই৷ এসবের মধ্যেও আমি স্ট্রং থাকতে পেরেছি৷ তার কারণ একটাই৷ সকলের অবিশ্বাস্ব সহযোগিতা৷ পরিবার ও বন্ধুদের পাশে নিয়েই লড়াইটা গ্রহণ করে নিয়েছি৷”

Advertisement ---
---
-----