নয়াদিল্লি: বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যুকে একদিকে রেখে বিজেপিকে জবাব দিতে বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেন সোনিয়া গান্ধী৷ বৃহস্পতিবার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ১৭টি বিরোধী দলের নেতারা।

এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কংগ্রেস প্রধান রাহুল গান্ধী, দলের বর্ষীয়ান নেতা আহমেদ প্যাটেল, গুলাম নবি আজাদ এবং মল্লিকার্জুন ঘড়গে, এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার, এনসি প্রধান ফারুখ আবদুল্লা, আরজেডির মিসা ভারতী এবং জয়প্রকাশ নারায়ণ যাদব, তৃণমূলের পক্ষ থেকে ডেরেক ও’ব্রায়েন প্রমুখ৷

Advertisement

এছাড়াউপস্থিত ছিলেন, সিপিএম নেতা ডি রাজা, এসপির রামগোপাল যাদব এবং নরেশ আগরওয়াল, সিপিএমের পক্ষ থেকে মহম্মদ সেলিম এবং টি কে রঙ্গরাজন৷ জেডিএস নেতা কুপেন্দ্র রেড্ডি, জেডিইউ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া শরদ যাদব, আরএলডি-র অজিত সিং, জেএমএম-এর সঞ্জীব কুমার, এআইইউডিএফের বদরুদ্দিন আজমল, কেরল কংগ্রেসের জয় আব্রাহামও হাজির ছিলেন এই বৈঠকে৷

বৈঠকের পরে সোনিয়া গান্ধীর বক্তব্য সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমকে জানান কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ৷ সংসদের মধ্যে ও বাইরে বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হওয়ার কথা বলেন সোনিয়া গান্ধী৷ কৃষক, দলিত, দরিদ্র এবং মহিলাদের স্পর্শকাতর ইস্যুগুলি বুঝতে সকলের ঐক্য প্রয়োজনীয়৷ ধর্ম এবং জাতি নিয়ে যে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে সেক্ষেত্রেও সচেতন হতে হবে প্রত্যেককে৷ রাজ্যে বিভিন্ন দলের মধ্যে মতানৈক্য থাকলেও, রাষ্ট্রীয় ইস্যুতে এমনটা হওয়া উচিত নয় বলে তাঁর মত৷

সংসদে বাজেট অধিবেশন থেকে আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে টেক্কা দেওয়ার রণকৌশল নিয়েও আলোচনা করেন তিনি৷ এছাড়া বৈঠকে চাকরির বাজারে মন্দা, জাত ও ধর্মভিত্তিক দাঙ্গায় উসকানি দেওয়া, আধার, মূল্যবৃদ্ধি, গ্রামীণ ভারতকে অবহেলা প্রভৃতি বিষয়ও উঠে আসে। রাজস্থানে উপ-নির্বাচনের জয় নিয়ে সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধীকে বিরোধী দলের অনেকেই শুভেচ্ছা জানান৷

----
--