মামলার মধ্যেই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের বিজ্ঞপ্তির পথে রাজ্য

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ হয়েছে মে মাসের মাঝামাঝি৷ কিন্তু এখনও আটকে বোর্ড গঠন৷ কারণ, মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে৷

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যে সব আসনে প্রার্থীরা জিতে গিয়েছেন, তার বৈধতা নিয়েই মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে৷ পরবর্তী শুনানি আগামী সোমবার৷ অথচ তার আগেই পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের পথে হাঁটতে পারে রাজ্য সরকার৷

আরও পড়ুন: প্রতিবেশীর ঝামেলা মেটাতে গিয়ে দৃষ্টি হারালেন ‘নির্দোষ’ ব্যক্তি

- Advertisement -

বৃহস্পতিবার নবান্নের একটি সূত্র থেকে এই খবর পাওয়া গিয়েছে৷ ওই সূত্র জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে৷ সম্ভবত আগামিকাল, শুক্রবার ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে৷

তবে গোটা প্রক্রিয়াটাই সমস্ত আইনি জটিলতাকে এড়িয়েই করা হবে বলে প্রশাসন সূত্র জানা গিয়েছে৷ প্রশাসনের ওই সূত্রের ব্যাখ্যা, সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের ৩৪ শতাংশ আসন নিয়ে৷ ওই আসনগুলি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন প্রার্থীরা৷ অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি বা জেলা পরিষদের অধিকাংশ প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন৷ ফলে সেগুলিতে বোর্ড গঠনে এখন আইনত বাধা রয়েছে৷

আরও পড়ুন: ‘বিশ্বের সেরা টেকনিক রয়েছে বিরাটের’

কিন্তু রাজ্যের মোট আটটি জেলা পরিষদে অধিকাংশ আসনে ভোট হয়েছে৷ আর নির্বাচনের ভিত্তিতেই সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস৷ প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই আটটি জেলা পরিষদের বোর্ড গঠনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হচ্ছে৷

সেই তালিকায় রয়েছে, মালদহ, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, হাওড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর৷ আগামিকাল থেকে সোমবারের মধ্যে ওই জেলা পরিষদগুলির বোর্ড গঠন করতে হবে বলে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর৷ তবে এ নিয়ে এখনই মুখ খুলতে চাইছেন না প্রশাসনের কোনও আধিকারিক৷

আরও পড়ুন: হিংসায় উস্কানির অভিযোগে গ্রেফতার শেখ শাহিল

প্রশাসনিক আধিকারিকরা এ নিয়ে মুখ না খুললেও, একটি সূত্রের বক্তব্য, ১৫ অগস্ট জেলা পরিষদগুলির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে৷ তার পর বোর্ড গঠন না হলে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হবে৷ উন্নয়নের কাজ ব্যাহত হবে৷ তাই তড়িঘড়ি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে৷

তাছাড়া আড়াই মাস আগে পঞ্চায়েত ভোট হয়ে গিয়েছে৷ সব ক’টি জেলা পরিষদই তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে৷ ফলে সভাধিপতি, সহ-সভাধিপতি কে হবেন, তা মোটামুটি ঠিক হয়ে রয়েছে৷ ফলে আগামী দু’তিনদিনের মধ্যে সেই কাজ শেষ করতে সমস্যা হবে না৷

আরও পড়ুন: রক্তাক্ত গুলশন: জঙ্গিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আলাপচারী হাসনাত মুক্ত

Advertisement ---
---
-----