স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আগাম চেষ্টা ছিল৷ জমা জল সরাতে নগরবাসী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই সতর্ক করা হয়েছিল বিভিন্ন রাজ্য সরকারি দফতরকেও৷ কিন্তু তবুও শহরের বুকে বর্ষায় ঠেকানো যায়নি মশাবাহিত ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া৷

অন্যতম কারণ হিসাবে উঠে আসছে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতর সেই সতর্কতায় সেইভাবে আমল দেয়নি৷ ফলে খোদ সরকারি দফতরই পরিণত হয়েছে মশার আতুঁরঘরে৷ সরাকরি দফতরের এই ভূমিকায় অসন্তুষ্ট কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ৷

আরও পড়ুন: মামলার মধ্যেই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের বিজ্ঞপ্তির পথে রাজ্য

আরও পড়ুন: প্রতিবেশীর ঝামেলা মেটাতে গিয়ে দৃষ্টি হারালেন ‘নির্দোষ’ ব্যক্তি

সতর্কতা সত্ত্বেও কেন কোনও পদক্ষেপ করা হল না, তা জানতে ওই সব সরকারি দফতরের থেকে কৈফিয়ত তলব করল কলকাতা পুরসভা৷

অফিসের মধ্যে জমা জল না সরিয়ে পুরসভার নেক নজরে রাজ্যের আবাসন, পূর্ত দফতর, পরিবহ দফতর, দমকল, কেএমডিএ৷ কাঠগড়ায় রয়েছে স্বাস্থ্য দফতর, কলকাতা পুলিশও৷ বৃহস্পতিবার এইসব সরকারি দফকরের আধিকারিকদের পুরসভায় ডেকে পাঠান স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ৷ জানতে চান, সতর্কতা সত্ত্বেও কেন কোনও ব্যবস্থা নিলেন না তারা?

আরও পড়ুন: ‘আরব সেনার ক্ষেপণাস্ত্রেই বহু শিশুর মৃত্যু ইয়েমেনে’

বৈঠকে অতীনবাবু অভিযোগ করে বলেন, ‘‘কেএমডিএ নির্মাণ কাজ পুরনির্দেশিকা মেনে করছে না৷’’ আবাসন দফতরের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘‘বিভিন্ন আবাসনে গেলেই বোঝা যায় ঠিক মতো পরিষ্কার করা হয় না জমে থাকা জল৷’’ সম্প্রতি কলকাতার হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়েও মিলেছিল মশার লার্ভা৷ তাই নিয়েও এদিন সরব হন মেয়র পারিষদ৷

আরও পড়ুন: ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজের তারকা ক্রিকেটার গ্রেফতার

আরও পড়ুন: ক্লাস না হওয়ায় বিক্ষোভে সামিল রাইপুরের পলিটেকনিক পড়ুয়ারা

বৈঠকে সরাকরি দফতরের অধিকারিকদের সতর্ক করে অতীনবাবু জানান, মশা বাহিত রোগ রুখতে কলকাতা পুরসভা আইনের ৪৯৬টি ধারা যাতে দ্রুত কার্যকর করা যায় সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে৷ দফতর ভবনের বাইরে যত্রতত্র জঞ্জাল ফেলা যাবে না৷

আরও পড়ুন: ‘‘নিউমার্কেটে বহুদিন কাজ করেছি, এই শহর আমার খুবই প্রিয়’’: অক্ষয়

----
--