নিজের ছেলেকে দিয়ে সৎ মেয়েকে গণধর্ষণ করাল মা, কুপিয়ে মিলল শান্তি

শ্রীনগর: আসিফার পর ফের এক নৃশংস গণধর্ষণের ঘটনার সাক্ষী থাকল কাশ্মীর। আবারও এক নাবালিকাকে শেষ করে ফেলা হল নারকীয় অত্যাচারে। গণধর্ষণেই শেষ হয়নি অত্যাচার। ধারাল অস্ত্রের মারে , অ্যাসিডে পুড়িয়ে খুন করা হয়েছে ওই নাবালিকাকে।

কাশ্মীরের উরির ঘটনা। গত ২৪ অগস্ট মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে পুলিশের দ্বারস্থ হন মুস্তাক আহমেদ গানাই নামে এক ব্যক্তি। তাঁর ৯ বছরের মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অভিযোগ পেয়েই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এদিক-ওদিক খুঁজেও বিশেষ কোনও লাভ হয়নি। খোঁজখবর নিয়ে পুলিশ জানতে পারে, ওই ব্যক্তির দুই স্ত্রী, ফাহমিদা ও খুশবু। ফাহমিদা কাশ্মীরের মেয়ে হলেও খুশবু ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। খুশবুর মেয়েকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আরও জানা যায় যে, খুশবু বেশির ভাগ সময় বাড়িতেই থাকতেন আর ফাহমিদা বাইরের কিছু কাজকর্ম করতেন।

সেপ্টেম্বরের ২ তারিখে বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার দূরে উদ্ধার হয় ওই নাবালিকার বিকৃত মৃতদেহ। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ফরেনসিক টিম। শুরু হয় তদন্ত। গঠন করা হয় ‘সিট।’ এরপর শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। আর তাতেই উঠে আসে বিস্ফোরক সব তথ্য।

- Advertisement -

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই খুশবুকে অপছন্দ করত ফাহমিদা। তার মনে হত খুশবু ও তার সন্তানদের প্রতিই স্বামীর মনোযোগ বেশি। তাই খুশবুর সন্তানকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে ফেলতে চেয়েছিল ফহমিদা। সেইমতই হল কাজ। আর নিজের ছেলে সাহিলকে সেই কাজে লাগাল সে।

কায়দা করে জঙ্গলে খুশবুর ন বছরের মেয়েকে ডেকে নিয়ে যায় ফাহমিদা। সঙ্গে ছিল ধারাল অস্ত্র। ইশারা করে ডেকে নেয় ছেলেকে। কাইসার আহমেদ ও আদিল আহমেদ নামে দুই বন্ধুকে নিয়ে জঙ্গলে যায় সাহিল। ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তের নাম শের জামান খান।

জঙ্গলে গিয়ে একে একে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে প্রত্যেকে। বাদ যায়নি সাহিলও। গণধর্ষণে আধমরা নাবালিকাকে ধারাল অস্ত্রের কোপ দেয় সৎ মা ফাহমিদা। কেউ গলা কাটল, কেউ উপড়ে নিল চোখ। তাতেও শান্তি হয়নি। অ্যাসিড ঢেলে দিতেই ছাড়েনি তারা। পরে পাইন গাছের তলায় পুঁতে দেওয়া হয় নাবালিকার দেহ। পুলিশ সব অস্ত্র ও প্লাস্টিকের ক্যানও উদ্ধার করেছে।

Advertisement ---
---
-----