নিউ ইয়র্ক: গরাদের পেছনে পর্নস্টার স্টেফানি ক্লিফোর্ড ওরফে স্টর্মি ড্যানিয়েলস। তবে তিনি শুধু একা নন! গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁর আইনজীবী মাইকেল অ্যাভেনাটিকেও। জানা গিয়েছে, স্ট্রিপ ক্লাবে অশালীন ব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ড্যানিয়েলস ও তাঁর আইনজীবী মাইকেল অ্যাভেনাটিকে।

ওহাইও শহরের ‘সাইরেনস জেন্টালম্যানস ক্লাব’ দু’দিন এর শো ছিল ড্যানিয়েলসের। গত বুধবার ছিল প্রথম পারফর্ম। কিন্তু অনুষ্ঠান চলাকালীন এক অতিথি স্টর্মিকে স্পর্শ করেন। এবং এমনটা নাকি ওই পর্নস্টারের উসকানিতেই হয়েছে। আর এমন আচরণ ক্লাবে নিষিদ্ধ। ফলে অশালীন ব্যবহারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁর আইনজীবী মাইকেল অ্যাভেনাটিকে।

Advertisement

তবে পুরোটাই উড়িয়ে দিয়েছেন নীল নায়িকার আইনজীবী। তিনি ট্যুইট করে জানিয়েছেন গোটাটাই চক্রান্ত। মাইকেলের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই হেনস্তা করা হচ্ছে তাঁর মক্কেলকে। এবিষয়ে তিনি ইশারা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে।

আরও পড়ুন: ফের তিলোত্তমায় জাহ্নবী-ইশান

উল্লেখ্য, ২০১৬ তে ট্রাম্পের সঙ্গে অবৈধ যৌন সম্পর্কের অভিযোগ এনে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন ক্লিফোর্ড। পক্ষ-বিপক্ষের নানান অভিযোগের পর শেষে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও দায়ের করেন তিনি। যে মামলা এখনও চলছে৷

২০০৬ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে এক গল্ফ ইভেন্টে দেখা হয় স্টেফানি ক্লিফোর্ডের। সেই সময় একটি ফিল্মে স্ট্রমি ড্যানিয়েলস নামের চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ক্লিফোর্ড। স্টর্মি কথাঅনুযায়ী, সেই সময় ট্রাম্প সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। র ঠিক একবছর পরেই মেলানিয়াকে বিয়ে করেন ট্রাম্প। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্যানুসারে, ট্রাম্পের সঙ্গে অবৈধ যৌন সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে ক্লিফোর্ড প্রথম মুখ খোলেন ২০১৬-তে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ক্লিফোর্ডের সঙ্গে চুক্তিতে যায় ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী মিখায়েল কোহেন। মুখ বন্ধ রাখতে ১ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার দেওয়া হয় ওই পর্নস্টারকে।

আরও পড়ুন:  ‘অনুরাগ কাশ্যপ সাতবার আমায় নগ্ন করেছে’ বিস্ফোরক অভিনেত্রী

তবে এবার অনেকেই মনে করছেন সব কিছুতে ট্রাম্পকে ডেকে আনা স্টর্মির স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকে বলছেন পাবলিসিটি পেতেই নাকি এমনটা করছেন তিনি। তবে সত্যি কি? তার উত্তর পেয়ে করতে হবে অপেক্ষা।

----
--