প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: ফের লেখিকা তসলিমা নাসরিনের নিশানায় ধর্ম। আরও ভালো করে বললে ইসলাম ধর্ম। কোরান পড়ে পড়ুয়ারা নাস্তিক তৈরি হবে বলে দাবি করেছেন তসলিমা।

জন্মসূত্রে পাওয়া ইসলাম ধর্মের সঙ্গে তসলিমা নাসরিনের বিবাদ নতুন কিছু নয়। চেনা ছন্দেই তিনি ফের আক্রমণ করেছেন ধর্মকে। তবে এবার তাঁর আক্রমণের লক্ষ্য ধর্মীয় শিক্ষা।

Advertisement

মঙ্গলবার সকালের দিকে ধর্মীয় শিক্ষা নিয়ে সরব হয়েছেন তসলিমা। নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে উগড়ে দিয়েছেন যাবতীয় বাংলাদেশের এই নির্বাসিত লেখিকা আক্রমণ করেছেন শিক্ষা নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের একটি গৃহীত সিদ্ধান্তকে।

এদিন ট্যুইটারে তসলিমা নাসরিন লিখেছেন যে ইসলামী ইমরান খান পাকিস্তানের সকল সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলে কোরান পাঠ বাধ্যতামূলক করেছেন। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাকিস্তানে বাধ্যতামূলক বিষয় হচ্ছে কোরান। এই বিষয়ে তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, “এটা একটা খারাপ নিয়ম হলেও ভালো জিনিষও আছে। আরবের প্রাচীন বই পড়ে পাক পড়ুয়ারা নাস্তিক তৈরি হবে। যে বইতে মহিলা বিরোধী রুপকথার গল্প লেখা আছে।”

স্কুলের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা নিয়ে এদিন আরও একটি ট্যুইট করেছেন লজ্জার লেখিকা তসলিমা নাসরিন। প্রথম ট্যূইটের প্রায় এক ঘণ্টা পরে করা দ্বিতীয় ট্যুইটে সকল ধর্মের শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “সকল ধর্মের শিক্ষা দেওয়া দরকার পড়ুয়াদের। নাস্তিকতা নিয়েও তাদের অবগত করা উচিত।” ধর্মীয় পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টা পড়ুয়াদের উপরেই ছেড়ে দেওয়া উচিত বলে দাবি করেছেন লেখিকা তসলিমা।

একই সঙ্গে ধর্মীয় ব্যক্তিদেরকেও আক্রমণ করেছেন তসলিমা নাসরিন। এই তালিকায় কোনও বিশেষ ধর্মের উল্লেখ ছিল না। দ্বিতীয় ট্যূইটে তিনি লিখেছেন, “অধিকাংশ ধর্মীয় ব্যক্তিরা তাঁদের নিজেদের ধর্ম সম্পর্কে জানেন না। তাঁরা ওই ধর্ম বিশ্বাস করেন কারণ তাঁদের বাবা-মা এবং আত্মীয়রা ওই ধর্মকে বিশ্বাস করেন। এটাই নীরব সত্য।”

----
--