শেখর দুবে, কলকাতা: তৃণমূল ভবনে ছাত্রনেতাদের সঙ্গে একটি মিটিংয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিমান বসু এবং দীনেশ মজুমদার কতদিন ছাত্রনেতা ছিলেন তা আমাদের জানা আছে।” এর পাল্টা তৃণমূলকে বেঁধেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। “কোন যুক্তি না থাকলে, উত্তর না থাকলে লোকে আলতু-ফালতু বকে। যুক্তি না পেয়ে দীনেশ মজুমদারকে টেনে এনেছে। দীনেশ মজুমদার প্রয়াত হয়েছেন ১৯৮৭ সালে, সেটাও জানে না।”

পাশাপাশি সুজনবাবু আরও বলেন, “বিমান বসু একজন কমিউনিস্ট সন্ন্যাসী। তাঁকে নিয়ে বলার যোগ্যতা তৈরি করতে হয়।”

Advertisement

শিক্ষামন্ত্রীকে পাল্টা দিতে ছাড়েননি এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। তিনিও কলকাতা২৪x৭-কে বলেন, ” বিমান বসু এবং দীনেশ মজুমদার কী উচ্চতার ছাত্রনেতা সেটা পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস ঘাঁটলেই পাবেন। তার জন্য সিপিএম হওয়ার দরকার পড়ে না। ওনারা কী ছিলেন সে সব না ভেবে নিজের ছেলেদের দিকে বরং তাকান শিক্ষামন্ত্রী। পারলে ছেলেদের ৭৫% টাকা খাওয়াটা বন্ধ করুন। ওনার দলের ছেলেরা যেভাবে ছাত্রছাত্রীদের আত্মহত্যার কারণ হচ্ছেন, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কেরিয়ার নষ্টের কারণ হচ্ছেন, সদিচ্ছা থাকলে সেগুলো বন্ধ করুন।”

শনিবারের বৈঠকে টিএমসিপির শুদ্ধিকরণের জন্য তৃণমূল ভবনের মিটিংয়ে কয়েকটি বিষয়ের উপর জোর দেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ছাত্র রাজনীতি কী রকম হয় তা টিএমসিপি-কে দেখে লোকে শিখবে। আমরা প্রকৃত ছাত্রনেতাকেই গুরুত্ব দিই। বহিরাগতদের কোন জায়গা নেই কলেজে।”

শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক বলেন, “তৃণমূল মাঝে মাঝেই আরাবুলকে সাসপেন্ড করে। আবার ভোটের আগে বোমাবাজির জন্য ওকে দলে নেয়। ওদের আর কিছু করতে হবে না, মানুষ ওদের সরিয়ে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির শুদ্ধিকরণ করে দেবে।”

----
--