নয়াদিল্লি: শৈল্পিক স্বাধীনতা মানে মহাত্মা গান্ধী বা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের হেয় করা নয়। বৃহস্পতিবার কড়া নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। আদালতের সতর্কতা, নমস্য ব্যক্তিদের নিয়ে কার্টুন বা প্যারোডি করা যেতে পারে কিন্তু তাঁদের প্রতি অসম্মানজনক ভাষার প্রয়োগ বা চরিত্র হনন করলে আইপিসির ২৯২ ধারার অধীনে অভিযুক্তের দু’বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

এদিন বিচারপতি দীপক মিশ্র ও প্রফুল্ল সি পান্থের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, “শৈল্পিক স্বাধীনতার নামে দেশের ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা প্রয়োগ করা যায় না। ধ্যান-ধারনার জন্য অবাধ স্বাধীনতা রয়েছে কিন্তু বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ধ্রুবক নয়। ভারতীয় সংবিধানে কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে এবং এই স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রিত।

Advertisement

মহাত্মা গান্ধীর বয়ানে একটি কবিতার বই প্রকাশ করেন এক মারাঠী কবি। সেই কবিতার বইয়ে মহাত্মার মুখে কিছু অশ্লীল শব্দ বসানোয় ওই বইয়ের প্রকাশকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ধারায় মামলা রুজু হয়। সেই সংক্রান্ত শুনানিতেই আদালত এই নির্দেশ দেয়।

আদালত আরও বলে, অন্য কোনও গান্ধী হলে তবু একটা বিষয় ছিল। কিন্তু মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী কোনও কাল্পনিক চরিত্র নন যাঁর মুখে অশ্লীল শব্দ বসানো যায়। এই কুকর্মকে শৈল্পিক স্বাধীনতা বলা যায় না।

----
--