নয়াদিল্লি:  যোগ্যতমকেই চাকরি দিতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত সাতটি মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশে জানানো হয়েছে, কারা যোগ্য তা বাছাই করতে হবে।

আর তা বাছাই করতে সুপ্রিম কোর্ট আগে তিন সদস্যের যে ‘ভেরিফিকেশন কমিটি’ গঠন করে দিয়েছিল, তার বদলে আজ নতুন করে ‘পশ্চিমবঙ্গ লিগাল এইড অথরিটি’কে স্ক্রুটিনি করার নির্দেশ দিল বিচারপতি ক্যুরিয়ন জোসেফ এবং বিচারপতি এম সান্তনাগৌড়ার ডিভিশন বেঞ্চ। চাকরি প্রার্থীদের ডেকে তাদের থেকে তথ্য নিয়ে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে যাবতীয় স্ক্রুটিনির কাজ শেষ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম নির্দেশে খুশির হাওয়া পড়ুয়াদের।

চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে আইনজীবী শান্তিরঞ্জন দাশ ও অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায় মামলায় সওয়াল-জবাবে অংশ নেন। আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে ভেরিফিকেশন কমিটিকে কার্যত বাতিল করে বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, প্রাথমিকে শিক্ষকতার চাকরির জন্য আবেদন করে সুপ্রিম কোর্টে যারা মামলা করেছে, তারা যোগ্য কি না, তা এবার খতিয়ে দেখবে পশ্চিমবঙ্গ লিগাল এইড অথরিটি। সংগঠক শিক্ষকদের যে অ্যাসোসিয়েশন বা সংগঠন মামলা করেছে, তাদের সদস্যের মধ্যে কারা যোগ্য, তা স্ক্রুটিনি করা হবে। তারপর যোগ্য প্রার্থীদের নাম প্রাথমিকে শিক্ষকতার জন্য সরকারকে সুপারিশ করবে। সেই সঙ্গে যোগ্য আবেদনকারীদের চাকরি দিতে হবে বলে জানিয়ে দিল বিচারপতির বেঞ্চ।

----
--