নয়াদিল্লি: সরকারি নির্দেশ সাধের মারুতি সুজুকিটা দিয়ে দিতে হবে। কারণ ওটার বয়স হয়েছে দশের বেশি। দিল্লি স্টেট ব্যাংকের অফিসার অতিন ঘোষের(নাম পরিবর্তিত) মন তবু চাইছিল না। গাড়িটি বাঁচাতে সদ্য নাম লিখিয়েছেন পুরনো গাড়ি বাঁচাও আন্দোলনে। হাজার লড়াইয়ের পরেও নিজের অবস্থানে আটকে রয়েছে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। কিছুতেই দিল্লির রাস্তায় তারা ১০ বছরের পুরনো গাড়ি চলতে দেবে না। অতিন বাবুর(নাম পরিবর্তিত) মতো হাজার হাজার মানুষের কাছে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন দেশের পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গড়করি।

 

বুধবার তিনি বলেছেন, দশ বছরের পুরনো গাড়ি জমা দিলে মিলবে ১.৫ লক্ষ টাকা অবধি নাগদ ক্ষতিপূরণ। এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করার আগে তিনি অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির কাছেও লিখিত আবেদন করেছেন বলে দাবি করেছেন নীতীন। তবে সব গাড়ির ক্ষেত্রেই একই টাকা মিলবে না। ছোট গাড়ির ক্ষেত্রে পরিবহণ মন্ত্রক দেবে ৩০ হাজার টাকা। অন্যদিকে যথাযথ কর প্রদানকারী বড় গাড়ির ক্ষেত্রে মিলবে প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকা। তবে এখুনি এই প্রকল্প চালু হওয়া আপাতত লাল ফিতের বাঁধনে।

 
Advertisement

দু'দিন আগেই দিল্লি থেকে ১০ বছরের পুরনো গাড়ি তুলে নেওয়া সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি রেখেছে গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। এমনকী এ বিষয়ে সরকারিভাবে নতুন এই উদ্যোগ পুরনো গাড়ি তুলতে কতটা লাভজনক হয় সেটাই এখন দেখার।

----
--