এতদিনে জাতিগত শংসাপত্র হাতে পাবে স্বপ্না বর্মনের পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি শহরজুড়ে এখন যেন উৎসবের আবহ৷ এশিয়াডে সোনা জিতেছে জেলার মেয়ে৷ তাঁর হাত ধরে বিদেশের মাটিতে উড়েছে ভারতের ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা৷ এমন মেয়ে তো যেকোনও ঘরের গর্ব, দেশের গর্ব৷ আর গত একুশ বছরে যা মেলেনি এশিয়াডের এই সম্মান সেই তফশিলি জাতি শংসাপত্রও এনে দিল স্বপ্না বর্মনের ঘরে৷

বহুবার আবেদন জমা হয়েছে, কিন্তু নিজের সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন জলপাইগুড়ির সোনার মেয়ে ও তাঁর পরিবার। অবশেষে সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। এবার আর আবেদন করতে হয়নি। প্রশাসন নিজেই উপস্থিত স্বপ্নার বাড়িতে।

- Advertisement -

বর্মনবাড়ির কারও জাতিগত শংসাপত্র নেই৷ গত বুধবার এশিয়াডে সোনা জেতেন স্বপ্না। এরপর থেকেই তাঁর বাড়িতে মানুষের ভিড়৷ মন্ত্রী, আমলা থেকে পরিচিত-সকলেই ঢুঁ মারছেন সেখানে৷ এরইমধ্যে প্রশাসনের কাছে খবর যায় বহু আবেদনের পরেও তফসিলি জাতির শংসাপত্র পায়নি স্বপ্না ও তাঁর পরিবার।

 

খবর পেয়ে শুক্রবারই স্বপ্নার বাড়িতে ছুটে যান ব্লক প্রশাসনের কর্তারা। সঙ্গে পাতকাটা গ্রামপঞ্চায়েতের আধিকারিকরা। সেখানে গিয়েই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করেন প্রশাসনের কর্তারা। দ্রুতই স্বপ্নার পরিবারের হাতে এই শংসাপত্র তুলে দেওয়া হবে বলে প্রশাসনিক কর্তারা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে স্বপ্নার সোনা জয়ের আনন্দে এদিন ব্যান্ড পার্টি নিয়ে জলপাইগুড়ি শহর জুড়ে র‍্যালি বের করে কালিয়াগঞ্জ উত্তমেশ্বর হাইস্কুলের পড়ুয়া ও শিক্ষকরা। জলপাইগুড়ি শহরের দিশারি মোড়ে জমায়েত হন সকলে। শহরের বেগুনটারি, কদমতলা, মার্চেন্ট রোড, দিনবাজার পরিক্রমা করে দিশারি মোড়ে শেষ হয়।

র‍্যালির প্রথমেই বিরাট ব্যানার৷ তাতে অভিনন্দনবার্তা-সহ স্বপ্নার ছবি৷ স্কুলপড়ুয়াদের বুকেও স্বপ্নার ছবি৷ স্কুলের শারীরশিক্ষার শিক্ষক বিশ্বজিৎ মজুমদার বলেন, ‘‘আমাদের স্কুলের প্রাক্তনীর এই জয় তো আমাদেরই জয়৷ ওকে অভিনন্দন জানাতেই আমাদের এই আয়োজন৷’’

Advertisement
---