‘রাস্তা আটকে নমাজ পড়া রাজনৈতিক ইসলাম’

নয়াদিল্লি: ধর্মের সঙ্গে লেখিকা বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের বিরোধ নতুন কিছু নয়। সেই চেনা ছন্দেই তিনি ফের আক্রমণ করলেন ধর্মকে। তিনি জানিয়েছেন যে ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত হয়ে গেলে তার থেকে ধর্ম বলে আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না। ধর্মের নামে যদি সাধারণ মানুষকে সমস্যায় ফেলা হয় তাহলেও ধর্মকে অবমাননা করা হয়ে থাকে। এটিও এক প্রকারের রাজনীতি।

আরও পড়ুন- ফলকে মুখ্যমন্ত্রীর ‘পদবি’র বানান ভুল! জানেন কি বলছে প্রশাসন

নিজেকে নাস্তিক বলে সবসময় দাবি করে এসেছেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। বিভিন্ন সময়ে তিনি আক্রমণ করেছে ধর্মকে। এর জন্য তাকে অনেক সমস্যায় সম্মুখীন হতে হয়েছিল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই ধর্মীয় রেওয়াজের বিরোধিতার কারণেই তাঁকে নিজের দেশ ছাড়তে হয়েছ। ঠাঁই মেলেনি ভারতের মতো দেশেও। বর্তমানে তিনি দিল্লিতে থাকলেও তাঁর নাগরিকত্ব সুইডেনের।

- Advertisement -

মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া তসলিমা নাসরিনের সবথেকে বেশি বিরোধ ইসলামের বিরুদ্ধেই। এই ইসলামের বিরুদ্ধে মুখ খোলার কারণেই তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়। একই কারণে কলকাতা শহরেও তাঁর ঠাঁই মেলেনি।

সেই ইসলাম ধর্ম নিয়েই ফের সরব হয়েছেন তসলিমা। শুক্রবার রাতের দিকে দু’টি ট্যুইট করে তিনি ধর্মের মোড়কে রাজনীতি করাকে আক্রমণ করেছেন। একটি ছবি পোস্ট করে প্রথম ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, “বাড়িতে বা মসজিদে নমাজ পড়লে তা ইসলামকে মান্যতা দেওয়া হয়। কিন্তু রাস্তা বন্ধ রেখে নমাজ পড়লে শত শত লোকের সমস্যা হয়। এটা রাজনৈতিক ইসলাম।” এই ট্যুইটের সঙ্গে পোস্ট করা ছবিতে দেখা গিয়েছে ঢাকার রাস্তার ছবি। যেখানে নমাজ পড়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।

একই সঙ্গে আরও একটি ট্যুইট করেছেন লেখিকা তসলিমা। যেখানে তিনি লিখেছেন, “ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মিশে গেলে ধর্মের আর গুরুত্ব থাকে না। অজ্ঞতার সঙ্গে ক্ষমতা মিশে গেলে এর থেকে খারাপ আর কিছু হতে পারে না।”

Advertisement ---
---
-----