রেলের জায়গা দখল মুক্ত করল প্রশাসন

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: রেলের জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে থাকা জমি দখল মুক্ত করল সিউড়ি প্রশাসন৷ বুধবার সকালে সদর মহকুমা শাসক কৌশিক সিনহা ও রেলের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে অভিযান শুরু হয়৷

সিউড়ি বোলপুর রাস্তার ওপর হাটজন বাজারে রেলের ওপর এই সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন সেতুর জন্য টাকা বরাদ্দ করলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের ওঠাতে না পারায় টাকা ফিরে যায়৷ এলাকার ফুটপাথবাসীরা আন্দোলনে নেমে উচ্ছেদ অভিযান রুখে দেয়৷ এমনকি রেল কমিটির সদস্য হিসাবে বীরভূম সাংসদ শতাব্দী রায় সে সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন৷ সে সময় উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দারা দাবি করেছিলেন সেতুর নীচে তাদের থাকার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে৷

কিন্তু নানাভাবে আলোচনার পরও উচ্ছেদ করা যায়নি৷ অন্যদিকে সাঁইথিয়া সিউড়ি রেলপথে বিদ্যুদায়ন হওয়ায় জেরে মাল গাড়ি থেকে যাত্রীবাহী রেল গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে৷ তাতে প্রায় সময় রেলগেট ফেলে রাখতে হচ্ছে৷ আবার শাসক দলের বেশিরভাগ নেতৃত্ব বোলপুর থেকে দিনে কয়েকবার সিউড়ি যাওয়া আসা করেন৷ মতস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, এসআরডির চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডল, সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান রাজা ঘোষ প্রতিদিন বোলপুর থেকে যাতায়াত করেন৷ সঙ্গে বোলপুর সিউড়ির নিয়মিত যোগাযোগ ব্যবস্থার একমাত্র মাধ্যম ওই সড়ক পথ৷ তাই গত বাজেটে রেলেও ওপর ওভার ব্রিজের জন্য টাকা বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার৷ কিন্তু দখলদারি ওঠাতে চিন্তিত ছিল প্রশাসন৷

- Advertisement -

মহকুমাশাসক কৌশিক সিনহা বলেন, ‘‘এলাকার বাসিন্দারা সকলেই সহযোগিতা করেছেন৷ নিজেরাই সরে গিয়েছেন৷’’ যদিও বুধবার নিজের ভাঙা ঘর সরাতে সরাতে শেখ বদরুল বলেন, ‘‘গত দশ বছর ধরে বাড়ি করে আছি৷ জনস্বার্থে নিজেরাই সরে গেলাম৷ তবে সেতুর নিচে যেন আমাদের থাকার জন্য বন্দোবস্ত করে দেওয়া হয়৷ প্রশাসনিক হিসাবে এদিন একশোটি বসত বাড়ি৷ কয়েকশো দোকান সরিয়ে ফেলা হয়েছে৷ আগামী তিন বছর ধরে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করবে রেল ও রাজ্য পূর্ত দফতর৷

Advertisement ---
---
-----