ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: শহরের বড়ো সমস্যা টোটো৷ কখনও শহরে বেপরোয়া টোটোর দৌরাত্ম্য তো কখনও আবার বিনা অনুমতিতে যত্রতত্র ঢুকে পড়া৷ শহর জুড়ে একের পর এক সমস্যা লেগেই রয়েছে৷ তবে এবার এই টোটোর দৌরাত্ম্যে লাগাম টানতে প্রশাসনের কড়া দাওয়াই। একাধিক টোটো কিনে ব্যবসা করা আর চলবে না৷ বেকারত্ব দূর করতে টোটোর মালিককেই দেওয়া হবে টোটো চালানোর অনুমতি। সোমবার জলপাইগুড়ি পুরসভাতে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল৷

আরও পড়ুন: হাওড়ায় ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দিতে গেলেন এক মহিলা

Advertisement

প্রসঙ্গত, জেলার গ্রাম-শহর মিলিয়ে দিনে দিনে বেড়ে চলেছে টোটোর দাপট৷ যার জেরে নাজেহাল শহরবাসী৷ তবে সেই সমস্যা মেটাতে ইতিমধ্যেই শহরের টোটো নীল-সাদা রঙে রঙ করার কাজ চলছে৷ পাশাপাশি, শহরের টোটো শহরে ও গ্রামের টোটো গ্রামে চালানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয় টিন নম্বরের মধ্য দিয়ে। এদিন পুরসভার টিন নাম্বার তৈরি করতে শহরের প্রচুর টোটো চালক সেখানে উপস্থিত হয়। তবে তাঁরা চান না টোটোকে টিন নম্বর দেওয়া হোক। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই জেলার টোটো চালকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

এ দিন পুরসভা ঘিরে বেশ কিছুক্ষণ চলতে থাকে বিক্ষোভ৷ পরে পুলিশ ও পুরকর্তাদের আশ্বাসে তাঁরা শান্ত হয়৷ এদিন সকল টোটো চালককে টিন নম্বরের ফর্ম দেওয়া হয়৷ তাঁদের দাবি, বেশির ভাগ টোটো চালকই কোথাও না কোথাও থেকে লোন করে টোটো কিনেছে৷ তাঁদের টোটো বন্ধ হয়ে গেলে পথে বসে যেতে হবে৷ এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার ডাঃ এস.এন মৈত্র বলেন, ‘‘আজকে থেকে টোটো টিন নাম্বার দেবার কাজ শুরু হল। ফর্ম দেওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে৷ ফর্মটি জমা দেওয়ার সময় দু’হাজার টাকা জমা দিতে হবে। শুধু মাত্র শহরের টোটোর ক্ষেত্রে রঙ করা হবে নীল সাদা। তবে টোটো বৈধ নাকি অবৈধ এই বিষয়টি আরটিও দফতর জানাবে৷’’

আরও পড়ুন: মমতার বাড়িতে বিজেপির আমন্ত্রণপত্র

অন্যদিকে, ট্রাফিক ওসি শান্তা শীল বলেন, ‘‘একটি টোটোর মালিক একাধিক টোটো কিনে ভাড়া দিচ্ছেন এখন থেকে আর সেটা হবে না। টোটো মালিককেই টোটো চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে। শহরে বর্তমানে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টোটো রয়েছে। নয়া সিদ্ধান্ত চালু হলে শহরে প্রায় দেড় হাজার বৈধ ই-রিক্সা চলবে। এতে যানজট অনেকটাই কমবে বলে আশাবাদী আমরা।’’

----
--