স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বনধ সফল কী অসফল সে আলোচনা যাওয়ার আগে একটা জিনিস বলায় যায় ৮ এ ৯ তারিখে বাম ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকা বনধ নিয়ে সরগরম থাকল সংবাদ মাধ্যম৷ প্রথমদিন বনধের পর আলিমউদ্দিনে সাংবাদিক সম্মেলন করে সিপিএম রাজ্য সভাপতি সূর্যকান্ত মিশ্র জানিয়েছিলেন বনধ সফল৷ কিন্তু দ্বিতীয় দিনে আলিমুদ্দিনে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে দোকানপাট খোলা থাকার কথা স্বীকার করে নিলেন সিপিএমের রাজ্য সভাপতি৷

প্রথমদিনে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ধর্মঘট করার প্রচেষ্টা করেছিল সিপিএম৷ কোথাও রেল লাইনে বোম রেখে আবার কোথাও লাল ঝান্ডা হাতে ট্রেন অবরোধ করতে দেখা যায় ধর্মঘটদের সমর্থক৷ রাজ্য সরকার এই ধর্মঘটকে সমর্থন না করার কথা আগেই ঘোষণা করেছিল৷ সেইমত প্রশাসনের তরফে ধর্মঘটীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে অ্যারেস্টও করা হয়৷ প্রথমদিনে সুজন চক্রবর্তী, অনাদি সাহুর মতো সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্বদের রাস্তা থেকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ৷ দ্বিতীয় দিনেও যাদবপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় সুজন চক্রবর্তীকে৷

বাম ট্রেড ইউনিয়গুলির ডাকা বন্ধের প্রথমদিনে কলকাতা শহরের ইতিউতি ধর্মঘট করার চেষ্টা করা হলেও সকালের কয়েক ঘন্ট বাদ দিলে কোথাও বন্ধের প্রভাব পড়েনি৷ রকাস্তায় সরকারি এবং বেসরকারি বাসের পাশাপাশি অটো এবং প্রাইভেট গাড়ির সংখ্যাটাও ছিল সাধারণ দিনের মতোই৷ দোকান বাজারও ছিল খোলা৷ কিন্তু প্রথম দিনের শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে বামেদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল ধর্মঘট সফল কারণ বাস চললেও তাতে ওঠা সাধারণ মানুষের সংখ্যা ছিল নগন্য৷

বুধবার ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন আলিমুদ্দিনে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে সূর্যকান্ত মিশ্রের বক্তব্য, আজকে রাস্তায় সরকারি এবং বেসরকারি বাসের সংখ্যা কম হলেও প্রথমদিনের তুলনায় দোকানপাট বেশি খোলা ছিল৷ সরকারি কর্মীদের জোর করে কর্মস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে৷ পাশাপশি তৃণমূল সাংসদের বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন মুখ্যমন্ত্রী ধর্মঘট না রুখে নিজের দলের ভাঙন রুখলে বোধহয় ওদের জন্য ভালো হবে৷

--
----
--