এটিএম কান্ডের মূল পান্ডাসহ ধৃত আট

প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কলকাতা পুলিশ লুকআউট নোটিশ জারি করার পরই বুধবার ভারত-নেপাল সীমান্ত থেকে এটিএম প্রতারণার চাঁই নানা-ভাইকো আরুলকে আটক করে শুল্ক দফতর।

বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে৷ এই নানাই দিল্লিতে বসে এটিএম প্রতারণার গোটা চক্রটির পরিচালনা করত৷ তাকে জেরা করেই আদ্রিয়ান লিবিউ ও কর্নেল কনস্ট্যানটেন নামে দুই রোমানিয়ান নাগরিকের হদিশ পায় কলকাতা পুলিশ। এটিএম প্রতারণার ঘটনায় এই দুই বিদেশিকেও গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। এটিএম প্রতারণার ঘটনায় এই নিয়ে মোট আট জনকে গ্রেফতার করল সিট৷

পড়ুন: বেহাল বেহালার হাল ফেরাতে পদক্ষেপ পুরসভার

পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের (সিট) অফিসারেরা এটিএম প্রতারণার তদন্তে নেমে কিছুদিন আগে দিল্লির মুনিরকা থেকে দুই রোমানিয়ানকে গ্রেফতার করে৷ এই খবর পেয়েই নানা নেপাল পালানোর চেষ্টা করে৷ কিন্তু ধরা পড়ে যায় শুল্ক দফতরের অফিসারদের হাতে৷ তার নামে লুকআউট নোটিশ জারি করা ছিল৷ ক্রিস নামে আরও একজনের নামে পুলিশ লুকআউট নোটিশ জারি করেছে৷

অন্যদিকে, এটিএম প্রতারণায় জড়িত রোমানিয়ান নাগরিক আদ্রিয়ান লিবিউ ও কর্নেল কনস্ট্যানটেন দিল্লি থেকে পালিয়ে লখনউ যায়৷ পুলিশ লখনউ গিয়ে জানতে পারে সেখানে থেকেও তারা পালিয়েছে৷ লুকআউট নোটিশ জারি থাকায় আকাশ পথে না গিয়ে সড়ক পথে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে যাচ্ছে বলে জানা যায়৷ কলকাতা পুলিশ যোগাযোগ করে ইন্দোরের পুলিশের সঙ্গে৷ এরপরই ধরা পড়ে যায় তারা৷ আদ্রিয়ান ও কর্নেল এই পর্যন্ত দিল্লি, লখনউ, চন্ডিগড়, আগ্রা,পাটনা, জয়পুরসহ বড় বড় শহরে সাইবার প্রতারণা করেছে বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে৷

মঙ্গলবার এলগিন রোডের এটিএমে স্কিমার ডিভাইস ও গোপন ক্যামেরা বসিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় শাহিল খান, রোহিত কুমার ও সুধীর রঞ্জনকে৷ এরা সকলেই মুম্বইয়ের বাসিন্দা৷