ওয়াশিংটন: বারমুডা ট্রায়াঙ্গ্যাল৷ এই কথাটির সঙ্গে কমবেশী সকলেই পরিচিত৷ কিন্তু প্রযুক্তির অগ্রগতি ঘটলেও এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গালের রহস্য ভেদ করতে পারেন নি বিজ্ঞানীরা৷ বারমুডা ট্রায়াঙ্গালের মত আরও রহস্য রয়েছে পৃথিবীকে ঘিরে৷ যার নেপথ্যে থাকা আসল ঘটনাটি আজও অজানা৷

সম্প্রতি কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এমনই এক বিস্ময় জিনিসের আবিষ্কার করেন৷ তাঁরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর মধ্যে অনবরত অদ্ভুত একটা হামমমম… আওয়াজ হতেই থাকে৷ আমাদের পায়ের তলায় সেই শব্দ সবসময়ই হয়ে চলে৷ কিন্তু সেই আওয়াজ আমাদের কান অবধি এসে পৌঁছয় না৷ খুব ধীর গতিতে এই আওয়াজ সবসময়ই হয়ে চলেছে৷ সূর্যের চারপাশে যেমন পৃথিবী একটি নির্দিষ্ট ছন্দে ঘুরে চলেছে৷ তেমনই পৃথিবীর ভিতরে থাকা সাধারণ মানুষও পৃথিবীর সঙ্গে সঙ্গেই ঘুরছে৷ তার মূলে রয়েছে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি৷

Advertisement

আন্টার্টিকা এবং আলজেরিয়াতে একটি বিজ্ঞানীদের এক বিশেষ যন্ত্রে ধরা পরেছে সেই আওয়াজ৷ পাশাপাশি পৃথিবী যেমন নির্দিষ্ট নিয়মে সূর্যের পাশে ঘুরে চলেছে৷ ঠিক তেমনই সারাক্ষণই পৃথিবী ওই হামমমমম… আওয়াজের সঙ্গে সঙ্গে কেঁপে চলেছে৷ এই প্রসঙ্গে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, এই আওয়াজ কোথা থেকে আসছে৷ এই আওয়াজের উৎপত্তি ঠিক কোথায়৷ সেই সম্পর্কেও যথাযথ কোনও উত্তর নেই বিজ্ঞানীদের কাছে৷ গবেষণা চলছে৷ যদি এই রহস্যের উদঘাটন সম্ভব হয় তাহলে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা অনেক রহস্যের সমাধান হবে৷ এলিয়ানদের জন্য সত্যিই আলাদা কোনও প্ল্যানেট আছে কি না সেটির রহস্যও জড়িয়ে রয়েছে এই হামমমম.. শব্দের ভিতরে৷

প্রসঙ্গত, এই আওয়াজ কিন্তু শুধুমাত্র মাটির গভীরেই অনুভূত হয়না৷ সমুদ্রের তরঙ্গে, আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই কম্পন এবং হামমমমম… আওয়াজটি হতেই থাকে৷ ১৯৯৮সালে একদল গবেষক প্রথম এই আওয়াজের সন্ধান পান৷

----
--