কাজান: ফ্রান্সের কাছে ৪ গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় আর্জেন্তিনার৷ ফ্রান্সের জালে তারা তিনবার বল জড়ালেও পুতিনের দেশে বিশ্বকাপকে গুডবাই জানাল মেসি অ্যান্ড কোং৷ ফরাসি ফরোয়ার্ডদের গতির কাছে আত্মসমপর্ণ সাম্পাওলির ছেলেদের৷

শনিবার কাজান এরিনায় ফ্রান্স-আর্জেন্তিনা লড়াইয়ের পর একনজরে পরিসংখ্যান:

* বিশ্বকাপে প্রথমবার টানা দু’বার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল ফ্রান্স৷

* দক্ষিণ আমেরিকার দলের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের শেষ ৯টি ম্যাচে অপরাজিত (জয় ৫ ও ড্র ৪) ফ্রান্স৷ ১৯৭৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্তিনার কাছে ১-২ গোলে হারের পর কোনও ম্যাচ হারেনি তারা৷

* এ নিয়ে বিশ্বকাপে মোট পাঁচবার চার বা তার বেশি গোল হজম করল দু’বারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্তিনা৷ শেষবার ২০১০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে ০-৪ গোল হেরেছিল আর্জেন্তিনা৷

* ১৯৮৬ বিশ্বকাপে (সোভিয়েত ইউনিয়ন-৩ বনাম বেলজিয়াম-৪) পর আর্জেন্তিনা প্রথম টিম যারা তিন গোল দিয়েও ম্যাচ হারল৷

* ফ্রান্স এদিন চারটি শটই গোল করতে সক্ষম হয়৷ গ্রুপ পর্বে ১২টি শট নিয়ে মাত্র তিনটি গোল করেছিল৷

* এই ম্যাচে মোট হলুদ কার্ড হল আটটি৷ এই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বেলজিয়াম-পানামা ম্যাচের সঙ্গে সমান৷

* এই ম্যাচে আটটি শটের মধ্যে সাতটিই গোল হয়েছে৷ ৮৫ মিনিটে মেসির শট ছাড়া৷

* পেলের পর টিনেজার হিসেবে বিশ্বকাপের কোনও ম্যাচে দু’টি গোল ১৯ বছরের ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপের৷ ১৯৫৮ বিশ্বকাপে সুইডেনের বিরুদ্ধে টিনেজার হিসেবে জোড়া গোল ছিল পেলের৷

* গ্রিজমান গোল পেলে কখনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ হারেনি ফ্রান্স (জয় ১৭ ও ড্র ২)

----
--