ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশনের কাগজপত্র জমা দেয়নি এক ছাত্র৷ আর সেই কারণে নবম শ্রেণীর ছাত্রকে মারধর করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিল এক শিক্ষক৷ এমনটাই অভিযোগ উঠেছে জলপাইগুড়ি শহরের একটি নামজাদা স্কুল এফডিআই স্কুলের শিক্ষকের বিরুদ্ধে৷ গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ওই ছাত্রের পরিবার৷

এই প্রসঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকে ওই ছাত্রকে মাধ্যমিক পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের জন্য বার্থ সার্টিফিকেট ও ছবি দিতে বলা হয়৷ কিন্তু সে কোনও দিনই এসবের কিছু জমা দিচ্ছিল না৷ এমনকি তার অভিভাবককেও স্কুলে দেখা করতে বলা হয়৷ সেক্ষেত্রেও একই অভিযোগ৷ ওই ছাত্রের অভিভাবকের পক্ষ থেকে কেউ স্কুলে দেখা করতে যায়নি৷ সোমবার এই নিয়ে ওই ছাত্রের সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষের বচসা বাঁধে৷

Advertisement

সোমবার স্কুলে পরীক্ষা চলছিল৷ অভিযোগ, সেই সময় নবম শ্রেণীর ছাত্রকে ক্লাসরুম থেকে বের করে নিয়ে আসেন ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ধীরেন ঝম্পটি। এরপর দু’কানের নিচে সজোরে মেরে স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার কথা বলেন৷ এরপরেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রের মা রিংকু দাস অভিযোগ করেন। দুপুরে অভিযোগ জানাতে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালী থানার দ্বারস্থ হয় ছাত্রের পরিবার। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে স্কুলে যায় কোতোয়ালী থানার পুলিশ।

জানা গিয়েছে, নবম শ্রেণীর ওই ছাত্র গত ২৪ তারিখ থেকে স্কুলের সেকেন্ড সামেটিভের পরীক্ষা দিচ্ছিল। এদিন ছিল ইতিহাস ও ভূগোল পরীক্ষা। ইতিহাস পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ধীরেন ঝম্পট্টি ক্লাসে এসে তার কাছে বার্থ সার্টিফিকেট চায়। না দেওয়াতে তাকে মারধর করে বলে অভিযোগ। এদিকে ছাত্রের মা রিংকু দাস এই ঘটনায় ওই শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

যদিও স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ধীরেন ঝম্পটি তাঁর উপরে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি ওই ছাত্রকে বকা দিয়েছি। কারণ রেজিস্ট্রেশন না হলে সে মাধ্যমিকে বসতে পারবে না।’’

----
--