রাবণ এই কারণেই তাহলে দৈত্যরূপে জন্মেছিলেন?

রাবণ কে নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই৷ এ কৌতূহল যেন চিরন্তন৷ আসলে এমন এক চরিত্রকে ঘিরে সব সময়ই ঘোরাফেরা করতে থাকে হাজার হাজার প্রশ্ন৷ চলুন আজ একবার চোখ রাখা যাক এই বহু বিতর্কিত চরিত্রের ওপর৷

রাবণের পিতা ছিলেন ঋষি বিশ্রবা(ব্রহ্মার পৌত্র), আর মাতা ছিলেন অসুর বংশের কৈকেসী (অসুর সুমালি এবং কেতুমতীর কন্যা)৷ কেন ঋষির ঘরেই অসুর রাবণের জন্ম হল, কেন মানুষ নয়, অসুর রূপ নিয়ে তিনি মর্ত্যে এলেন এমনই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় পুরাণ ঘাঁটলে৷

আরও পড়ুন: জানেন কী মহাভারতেও ছিল হনুমান?

- Advertisement -

জানা যায়, মা কৈকেসীর ভুলেই তিনি দৈত্যে রূপে জন্মলাভ করেন৷ সেই ভুল না করলে আজ হয়তো রাবণকে কে মানুষরূপেই সকলে চিনত৷ কৈকেসীর সঙ্গে বিয়ের পর ঋষি বিশ্রবা একদিন পূজা-পাঠে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক তখনই কৈকেসী তাঁর সঙ্গে সঙ্গমের ইচ্ছা প্রকাশ করেন৷ ঋষি তাঁকে জানান যে তিনি পবিত্র পজো-পাঠে ব্যস্ত এবং সেই সঙ্গে তাঁকে ধৈর্যও ধরতে বলেন, কিন্তু কৈকেসী তাঁর কোনও কথা না শুনে ঋষিকে জোর করতে থাকেন৷ অগত্যা, স্ত্রীর কথার মর্যাদা দিতে পূজো বন্ধ করতে ঋষি তাঁর ইচ্ছা পূরণ করেন৷ এর বেশ কয়েক মাস পরেই রাবণের জন্ম হয়৷ সন্তানের রূপে যখন দৈত্য রাবণকে পেলেন কৈকেসী তখন তিনি খুবই নিরাশ হলেন৷ নিরাশ স্ত্রী-কে তখন বিশ্রবা বলেন, লোবের বশবর্তী হয়ে স্বামীকে পূজোর পবিত্র কাজ থেকে বিরত করার ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে৷ দৈত্যরূপে রাবণের ভূমিষ্ঠ হওয়ার পেছনে ঠিক এই কারণই দায়ী বলে শোনা যায়৷