ভয় নয়, আসল ‘স্ত্রী’ হটনেসে ঘায়েল হবে কেউ

মুম্বই : ‘নালে বা’৷ কন্নড় ভাষার কথাটির অর্থ ‘কাল এসো’৷ পৌরানিক কাহিনি অনুযায়ী, ১৯৯০ সালের কর্নাটকের একটি গ্রামে ডাইনির উপদ্রোব শুরু হয়৷ রোজ রাতে সেই ডাইনি চেনা-পরিচিত গলায় ডেকে গ্রামবাসীদের দরজার কড়া নাড়ত৷ যে সেই আওয়াজ শুনে দরজা খুলত, আর ডাইনিকে দেখে ফেলত, সেই গ্রামবাসীর মৃত্যু অবধারিত৷ এই উপদ্রোবে অতিষ্ট হয়ে গ্রামবাসীরা সিদ্ধান্ত নিল তারা দরজার বাইরে ‘নালে বা’ লিখবে৷ যা পড়ে ডাইনি চলে যাবে, আবার পরের দিন আসবে৷ আবারও একই লেখা পড়বে৷ এইভাবে তারা ডাইনির হাত থেকে রক্ষা পেল৷

এই স্ত্রী কে এক সময় ভয় পেয়েছিল সকলে৷ আর ‘স্ত্রী’ ছবির ডাইনিও রীতিমত ভীতি ধরিয়ে দিয়েছে দর্শকদের মনে৷ হরর কমেডি হলেও স্ত্রী কিন্তু ভালই ভয় পাইয়েছে সকলকে৷ সৌজন্যে ফ্লোরা সাইনি৷ স্ত্রীয়ের চরিত্রে কে অভিনয় করেছেন অনেকের জানার ইচ্ছা ছিল এবং রয়েছে৷ ছবির গোটা কাস্ট অ্যান্ড ক্রিউকে দেখতে পেলেও স্ত্রীয়ের চরিত্রে কে ছিলেন তা জানা হয়নি কারও৷ অবশেষে সামনে এলো তাঁর পরিচয়৷ অভিনেত্রীর নাম ফ্লোরা সাইনি৷ যারা ভেবেছিল স্ত্রীকে অ্যানিমেশনে তৈরি করা হয়েছে তা কিন্তু একেবারেই নয়৷ ইনিই ছিলেন সেই সুন্দরী বার্বণিতা৷ যাকে গ্রামের লোক মিলে মেরে ফেলেছিল৷

- Advertisement -

ফ্লোরা সাইনি এই চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে গর্বিত বোধ করছেন৷ “ছবির প্রচারের সময় আমায় কোনও পোস্টে ট্যাগ করেননি নির্মাতারা৷ কারণ পুরো ব্যাপারটা সাসপেন্স রাখতে চেয়েছিলেন ওনারা৷ আর এখন যে রেসপন্সটা পাচ্ছি সেটা দারুণ৷ প্রত্যেকে যেখানে এরম বড়ো ছবিতে ভালো রোল পেতে চায়, সুন্দর দেখাতে চায় নিজেকে সেখানে আমি নিজেকে কুৎসিৎ দেখাতে চেয়েছিলাম৷ ভূত সাজতে একটুও পিছপা হইনি আমি৷”

শ্যুটিংয়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ফ্লোরা জানালেন, “শ্যুটিংয়ের অর্ধেক সময় আমি হার্নেসের সঙ্গে বাঁধা ছিলাম৷ মাঝে মধ্যে হাঁটার সিক্যুয়েন্স ছিল৷ একটু অসুবিধা হতো ঠিকই কিন্তু এখন এগুলো ভাবলে ভালোই লাগে৷ গোটা ক্রিউ আর টিম এতো ভালো ছিল৷ আমার ভীষণ কেয়ার নিয়েছে ওরা৷ হার্নেসে ঝুলন্ত অবস্থায় ওরা আমায় কফি সার্ভ করে গিয়েছে৷ আর আমার ডায়লগও খুব অল্প৷ শুধু সকলের নাম ধরে ডেকে যেতে হতো৷”

Advertisement
---