ফ্যাশন ডিজাইনার থেকে পুলিশের শীর্ষপদে! এই মহিলার কাহিনী যেন সিনেমার স্ক্রিপ্ট

স্বপ্ন তো থাকেই! কিন্তু সত্যি হয় ক’জনের? আর এসব ভেবে যারা স্বপ্ন দেখাই ছেড়ে দিয়েছেন, মঞ্জিতা ভাঞ্জারার গল্প তাঁদের জন্য। যে কোনও পথে হাঁটতেই ভয় পাননি তিনি। ঝুঁকি নিয়েই জীবনে এগিয়ে গিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে তাঁর পদের নাম ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অফ পুলিশ’ বা এসিপি। মঞ্জিতার  গল্পটা অনেকটা ছবির স্ক্রিপ্টের মত। ছোট থেকেই পরিবারের অনেককেই সিভিল সার্ভিসে দেখেছেন তিনি। কেউ আইএএস, কেউ আইপিএস। কিন্তু সেসব তাঁকে টানেনি কোনোদিনই। কখনও অফিসার হতে চাননি তিনি। স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়অ শুরু করেন তিনি।

নিরমা ইউনিভার্সিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তেন। স্নাতক পেরনোর পরেই যখন সবাই এমএনসি-তে চাকরির জন্য ছুটছে, তখন সবাইককে অবাক করে তিনি ভর্তি NIFT-তে। বিষয় ফ্যাশন ডিজাইনিং। ডিগ্রি নিয়ে এক নামি সংস্থায় ডিজাইনারের কাজও করেন তিনি।

- Advertisement DFP -

ভাঞ্জারা জানান, ধনী পরিবারের মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও বিলাসিতায় মানুষ করেননি বাবা-মা। গাড়িতে নয়, বাসে-ট্রেনেই যাতায়াত করতেন তিনি। আর এইভাবে চলাফেরা করতে করতে তিনি মানুষের সমস্যাগুলো বুঝতে শুরু করেন, আর মানুষের জন্য কাজ করতে চান। এরপর সিভিল সার্ভিসে পরীক্ষায় পাশ করে, বর্তমানে তিনি একটি প্রজেক্টে কাজ করেন যার নাম ‘সুরক্ষা সহায়’। যেখানে চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তাদের রোজগারের ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়। ভরতনাট্যম আর কুচিপুড়িতে সদক্ষ ভাঞ্জারা চান, যাতে আরও বেশী করে মেয়েরা পুলিশ ফোর্সের সঙ্গে যুক্ত হন।

তাঁর কথায়, ‘আমার এমন অনেক বন্ধু-বান্ধব রয়েছেন যাঁরা লক্ষ-কোটিতে রোজগার করে। কিন্তু আমার এত উচ্চাশা নেই। শুধু অবহেলিত মহিলাদের মুখে হাসি দেখতে চাই, আর চাই প্রত্যেকটা শিশু যাতে শিক্ষা পায়।

Advertisement
----
-----