চিন-রাশিয়ার হুমকি উড়িয়ে থাড নিয়ে চুক্তি করল আমেরিকা-সিওল

সিউল:  কোরিয় উপদ্বীপে আমেরিকার অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ‘থার্মাল হাই অলটিচ্যুড ডিফেন্স সিস্টেম’ বা ‘থাড’ মোতায়েনে চুক্তি সেরে ফেলল ওয়াশিংটন এবং সিউল। পিয়ংইয়ংয়ের একের পর এক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য ‘থাড’ মোতায়েন করা হবে বলে যৌথ বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে। সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ব্যবস্থা মোতায়েন হলে উত্তর কোরিয়াকে চাপে রাখা যাবে একথা যেমন সত্যি, তেমনই এই ব্যবস্থার মোতায়েনের ফলে ওই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনাও বাড়তে পারে। কারণ এই ব্যবস্থা মোতায়েনের তীব্র বিরোধিতা করেছে চিন এবং রাশিয়া। কার্যত তা উপেক্ষা করেই এই ব্যবস্থা মোতায়েন করছে আমেরিকা। দিও যৌথ বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, কেবল মাত্র উত্তর কোরিয়ার পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি মোকাবেলা করতে এ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হবে। আগামী বছরের শেষ নাগাদ ‘থাড’ ব্যবস্থা কার্যকর হবে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, এ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের স্থান নির্বাচন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ।
ওয়ারহেড বা বোমাবাহী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার শেষ পাঁচ মিনিট থার্মাল ফেজ নামে পরিচিত। থাড দিয়ে এই পর্যায়েও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে আঘাত হানা এবং পুরোপুরি ধ্বংস করা যায়। প্রসঙ্গত, কোরিয় উপদ্বীপে সম্ভাব্য ‘থাড’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিরুদ্ধে কার্যত একজোগে আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল চিন এবং রাশিয়া। বলা হয়েছিল, ‘থাড’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হলে তাতে কৌশলগত ভারসাম্য নষ্ট হবে এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতা বাড়বে বলে আমেরিকার প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। কিন্তু সবকিছুকে উপেক্ষা করেই থাড নিয়ে চুক্তি করল দক্ষিণ কোরিয়া-আমেরিকা।