১৩ জেলায় ফের ধূলিঝড়ের সতর্কতা

লখনউ: আবারও ধুলো ঝড়ে মুখ ঢাকতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ৷ রাজ্যের ১৩টি জেলায় প্রবল ধুলো ঝড়ে সতর্ক বার্তা জারি করেছে প্রশাসন৷ মে মাসে এই ধুলো ঝড়েই ১৩০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়ে ছিলেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে৷ শুধু উত্তরপ্রদেশেই প্রাণ যায় ৩৯ জনের৷

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আবারও উত্তরপ্রদেশে ধেয়ে আসছে ধুলোঝড়, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। ঘূর্ণাবর্তের জেরেই ধুলোঝড় ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ধুলো ঝড় হতে পারে বান্দা, চিত্রকূট, ফতেপুর, হরদোই, শাহাজাহানপুর, পিলভিট, বরেইলি, রামপুর, মোরাদাবাদ, মীরাট, বিজনৌর, মুফফরনগর ও শাহরানপুরে৷

এরআগে, ধুলোঝড় ও প্রবল বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় উত্তরপ্রদেশে আগ্রা ও রাজস্থানের ভরতপুর জেলা। আগ্রাতে ধুলোঝড় ও বৃষ্টিতে কমপক্ষে ৪৩ জনের মৃত্যু হয় বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে৷ ওই এলাকায় আহত হন আরও ৫১ জন। রাজস্থানের ভরতপুর জেলায় মৃত্যু হয় ১৯ জনের। উত্তরপ্রদেশে প্রায় ১৫৬টি পশুর মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে৷

- Advertisement -

দেশের দুই রাজ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন তিনি। রাজ্যের ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত ও আহতদের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা সিং রাজেও।

এই ধুলোঝড়ে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২ হাজার ৫৮২ জনের। ২০১৫ সালে এ সংখ্যাটা ছিল ২ হাজার ৬৪১৷

এবার যে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে, তাতে আগাম নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে৷ কারণ আগের বার গাছ পড়ে ও বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয় অনেকের৷

Advertisement
---