বহু জায়গায় বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর

ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বারুইপুর: পঞ্চায়েতের গণনা শেষ পর্যায়ে পৌঁছতেই ফের উত্তপ্ত হল বাংলা৷ একাধিক জায়গায় শাসক দলের হাতে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ উঠল৷ বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে৷

দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু’টি জায়গায় এই ধরনের অভিযোগ ওঠে৷ একটি ঘটনা ঘটেছে সোনারপুরে৷ দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে কাকদ্বীপে৷

আরও পড়ুন: কুমারস্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রীর জন্ম তাঁর প্রথম বিয়ের বছরে

সোনারপুর থানার খেয়াদহ-২ পঞ্চায়েতর ডিহি এলাকা পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপি প্রার্থী হয়েছিলেন কাকলি মণ্ডল৷ তাঁর অভিযোগ, পরাজয়ের পর তাঁর দোকানে হামলা ও লুঠপাট চালানো হয়েছে। পরে কয়েকজবন বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ৷

স্থানীয়দের দাবি, বিজেপি সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে৷ বাদ যাননি মহিলা ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা৷ স্থানীয় ক্লাবে ও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। মহিলা- বৃদ্ধ কেও মারধরে অভিযোগ তৃণমূলের দিকে।

আরও পড়ুন: বিজেপির ‘কর্ণাটক ফর্মুলা’ বিরোধীদের হাতে তুলে দিল অস্ত্র

পাশাপাশি সোনারপুর-২ পঞ্চায়েত, আড়াপাচঁ এলাকায় মধ্যম সরদার পঞ্চায়েত সদস্য পদে পরাজয়ের পরে তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের দিকে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল৷

অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কাকদ্বীপের হারউড পয়েন্টের বাপুজি গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্ডিপুরে। কোস্টাল থানার অন্তর্গত ওই চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আসনটি বিজেপি প্রার্থী কল্যাণী মণ্ডল জেতেন। এর পরই এই এলাকায় তৃণমূলের সন্ত্রাস শুরু হয় বলে অভিযোগ।

বিজেপির দাবি, তাদের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অপরাধেই কার্যত এলাকার একাধিক বাড়িতে হামলা চালানো হয়। একের পর এক বাড়িতে ভাঙচুর করা হয় সেখানে। লুটপাট করা হয় বিজেপি কর্মীদের দোকানে। এমনকি বেশ কয়েকজন বিজপি কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ও উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা।

আরও পড়ুন: অধীরের জেলায় খাতা খুলে তৃতীয় শক্তি মোদীর দল

----
-----