জঙ্গলমহলের তৃণমূল নেতার উপর হামলা

স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: আক্রান্ত তৃণমূল নেতা৷ অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ৷ বাঁকুড়ার রাইপুরের ঘটনা৷ আক্রান্ত তৃণমূল নেতার নাম চন্দন দণ্ডপাট। তিনি রাইপুরের ঢেকো অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি৷ এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল বিজেপির দিকে৷

সূত্রের খবর, অন্যান্য দিনের মত সোমবার রাতেও চন্দন দণ্ডপাট নামে ওই তৃণমূল নেতা রাইপুরের ঢেকো বাজারের তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন৷ পথে স্থানীয় এক বাসযাত্রী প্রতীক্ষালয়ের সামনে জনাদশেক বাইক আরোহী তাঁকে ঘিরে ধরে বলে অভিযোগ৷

এরপরই তাঁর উপর ছুরি চালায়৷ গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরাই চন্দনবাবুকে রাইপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে৷ এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলছে তৃণমূল।

- Advertisement -

আরও পড়ুন: গাছ থেকে নারকেল পেরে মাসে ৫০ হাজার টাকা আয়

তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকেই এলাকায় বিজেপি সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছে। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে জঙ্গলমহলের রাইপুরের ঢেকো গ্রামপঞ্চায়েতটি তৃণমূলের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। কয়েক দিন আগে বোর্ডও গঠন করে ফেলেছে তারা।

চিকিৎসাধীন তৃণমূল নেতা চন্দন দণ্ডপাট বলেন, বিজেপির লোকজনের হাতে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন৷ এক সময়ের ‘সিপিএমের হার্মাদরাই’ এখন বিজেপিতে যোগ দিয়ে এইসব করছে৷ তিনি আরও অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত ভোটে জেতার পর থেকেই বিজেপি ঢেকো গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ কায়েম করতে চাইছে।

হাড়দা, লছিপুর, ন্যাপরা গ্রাম থেকে এসে বিজেপিআশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রায়শই এই এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। সোমবার রাতেই রাইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ তবে এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি৷ তদন্ত চলছে৷

আরও পড়ুন: আর্থিক বেহাল দশার জন্য নোটবন্দি নয় রাজেনের নীতি দায়ী : রাজীব কুমার

তবে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিজেপির কেউ এই ঘটনায় জড়িত নয়। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত তৃণমূলের একাংশই এই ঘটনা ঘটিয়েছে৷ চন্দনবাবু অবশ্য রাইপুরে দলীয় কোন্দলের অভিযোগ মানলেও তাঁদের গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই বলেই দাবি করেছেন৷

Advertisement ---
-----