স্টাফ রিপোর্টার, ঝাড়গ্রাম: ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার তৃণমূল কর্মীর ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত দেহ৷ মঙ্গলবার সকালে ঝাড়গ্রাম বর্ডারের সত্যাদিঘি থেকে উদ্ধার করা হয় ওই তৃণমূল কর্মীর দেহ৷ পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়েছে তাঁকে৷

প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, ধারালো কোনও অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়েছে ওই তৃণমূল কর্মীকে৷ অভিযোগ, সোমবার রাতে মোটরবাইকে করে ঝাড়গ্রামে দাদা প্রসূন ষড়ঙ্গীর বাড়ি যাচ্ছিলেন ওই তৃণমূল কর্মী৷ সেই সময় দুষ্কৃতীর দল তাঁকে খুন করে বলে অভিযোগ উঠছে৷ এদিকে ভাই বাড়ি না আসায় খোঁজখবর শুরু করেন প্রসূনবাবু। তবে এদিন রাতে কোনও খবর মেলে না ওই তৃণমূল কর্মীর৷ পরে মঙ্গলবার সকালে ঝাড়গ্রামের দরখুলি থেকে টেঙ্গিয়া যাওয়ার রাস্তার ধারে ধানজমি থেকে উদ্ধার হয় ওই তৃণমূল কর্মীর রক্তাক্ত দেহ।

পড়ুন:বিজেপির মনোনীত প্রধানকে অপহরণে অভিযুক্ত তৃণমূল

প্রসূনবাবু তাঁর ভাইয়ের মৃত্যুকে রাজনৈতিক খুন বলে দাবি করছেন। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই তাঁর ভাইকে খুন করা হয়েছে। তাঁর ভাই তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন৷ মৃতের দাদা প্রসূন সড়ঙ্গী ঝাড়গ্রাম তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য।  ২০০২ সালে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় প্রসূন ষড়ঙ্গীর বাবা ও মায়ের৷ অভিযোগ, তাদেরকেও খুন করা হয়েছিল। খুনের অভিযোগ এলাকার সিপিএম ও বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে৷ ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ৷

পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যজুড়ে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে হিংসা৷ শনিবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হন এক তৃণমূল কর্মী। এরপর সোমবার মালদহের মানিকচকে দু’জনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, পুরুলিয়ার জয়পুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই বিজেপি কর্মীর। এবার ঝাড়গ্রামে খুন হলেন তৃণমূল কর্মী।

----
--