স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: পায়ে হেঁটে শহিদ দিবসের সভায় যোগ দিতে রওনা হল ২৫ জন৷ শুক্রবার সকালে বর্ধমানের ঘোড়দৌড় চটি এলাকা থেকে ২৫ জন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী রওনা হন৷

তবে তাঁরা শুধু পায়ে হেঁটে সভায় গিয়ে তাক লাগাতে চান না৷ বরং যাওয়ার পথে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রচার করবেন৷ বর্ধমান শহরের একাধিক তৃণমূল নেতা তাঁদের রওনা করে দেন৷

আরও পড়ুন: স্ত্রীকে ত্যাগ করার অপরাধে পাসপোর্ট বাতিল ৮ অনাবাসীর

বর্ধমান জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ বাগবুল ইসলাম জানিয়েছেন, শহিদদের প্রতি সম্মান জানাতেই এই পায়ে হেঁটে ১০০ কিমি পথ যাওয়ার অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন দলের কর্মীরা। শনিবার তারা সকাল ১০টার মধ্যে পৌঁছাবেন ধর্মতলায়। অন্যদিকে, কালনা মহকুমার পূর্বস্থলীর ফলেয়া গ্রামের বাসিন্দা সন্টু মণ্ডল সাইকেল চালিয়ে ধর্মতলায় শহিদ সভায় যোগ দেওয়ার জন্য রওনা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমান থেকে ২ লক্ষ জমায়েতের লক্ষ্যমাত্রা নির্দিষ্ট করে দিয়ে গিয়েছেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

আরও পড়ুন: ‘তিন মোদী মিলে দেশকে লুটছে’

এদিকে ধর্মতলায় সমাবেশে যাওয়ার জন্য কার্যত চারদিন আগে থেকেই জেলার সিংহভাগ বাস তুলে নেওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পূর্ব বর্ধমান জেলায় প্রায় ২৫০০ বাস চলাচল করে বিভিন্ন রুটে। তৃণমূলের সভার জন্য কার্যত প্রায় সমস্ত বাসই তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে চূড়ান্ত হয়রানির মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে কলেজ পরীক্ষার্থীরাও।

এদিন বিএ দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা ছিল বিভিন্ন কলেজে। কিন্তু বাস না থাকায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়েছে পরীক্ষার্থীদের। বর্ধমান জেলা বাস অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় চারদিন আগে থেকেই দক্ষিণ দামোদরের বাঁকুড়া ও আরামবাগ রুটে চলাচল করা ২৬০টা বাসই তুলে নেওয়া হয়েছে। জায়গায় জায়গায় তৃণমূলের নেতারা বাস আটকে রেখে দেওয়ায় দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বাধ্য হয়েই সাধারণ মানুষকে বেশি টাকা খরচ করে অন্য গাড়িতে যাতায়াত করতে হয়।

আরও পড়ুন: নারী পাচারকারী সন্দেহে তিনজনকে গণপিটুনি

----
--