বিশ্বজিৎ ঘোষ, কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দেখে বহু মানুষ যোগ অনুশীলনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন৷ আর, এ বার, বাংলার শিশুরা যাতে যোগ অনুশীলনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে, তার জন্য রাজ্য জুড়ে কর্মসূচি গ্রহণ করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের চিকিৎসকরা৷

২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস৷ এই দিবস পালনের অঙ্গ হিসাবে, পশ্চিমবঙ্গের শিশুদের জন্য ওই দিন রাজ্য জুড়ে প্রচেষ্টা জারি রাখা হবে৷ এবং, এমনই জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন প্রোগ্রেসিভ ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, চিকিৎসক নির্মল মাজি৷ এই চিকিৎসক-নেতা তৃণমূল কংগ্রেসের একজন বিধায়ক৷ এবং, মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসাবেও পরিচিত৷

২০১৫ থেকে ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হচ্ছে৷ স্বয়ং, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এই দিবসে যোগ শিবিরে অংশগ্রহণ করেন৷ এ দিকে, সমাজের বিভিন্ন অংশ যাতে যোগ অনুশীলনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে, তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রচেষ্টাও জারি রয়েছে৷ আর, এই ধরনের পরিস্থিতির মধ্যেই, সমাজের বিভিন্ন অংশের আরও বেশি সংখ্যক মানুষও যোগ অনুশীলনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠার জন্য প্রচেষ্টা জারি রেখেছেন৷

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত যোগ অনুশীলনের কোনও বিকল্প নেই বলে বিশেষজ্ঞ মহলের বিভিন্ন অংশ জানিয়ে চলেছে৷ তবে, সকলের পক্ষেই যোগ অনুশীলনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠা সম্ভব নয় বলেও জানিয়ে থাকে বিশেষজ্ঞ মহলের বিভিন্ন অংশ৷ একই সঙ্গে এই বিষয়টিও নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে জানানো হয়, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া কেউ যেন যোগ অনুশীলনে অভ্যস্ত হয়ে না ওঠেন৷

এ দিকে, কোনও বিষয়ে চিকিৎসকদের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ তা হলে, আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন প্রোগ্রেসিভ ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের কোনও কর্মসূচি রয়েছে? সাধারণ মানুষের জন্য এই দিবসকে কেন্দ্র করে কোনও বার্তা দেওয়া হতে পারে?

এমনই বিষয়ে প্রোগ্রেসিভ ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, চিকিৎসক নির্মল মাজির কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে জেলায় জেলায় আমাদের ডাক্তাররা অনুষ্ঠান করবেন৷’’ শুধুমাত্র তাই নয়৷ তিনি বলেন, ‘‘নিয়মিত যোগ অনুশীলন করলে সুস্থ থাকা যায়৷ শিশুরা যাতে যোগে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে, তার জন্য চেষ্টা চলবে৷ শিশুরা সুস্থ থাকলে, আগামী দিনে জাতি সুন্দর হয়ে উঠবে৷’’

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রাজ্য বিজেপির তরফে কর্মসূচি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে৷ এ দিকে, তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠনের তরফেও রাজ্য জুড়ে কর্মসূচি রয়েছে৷ স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে, যোগ দিবসে এ ভাবে দল-মত নির্বিশেষে অংশগ্রহণ স্বাভাবিক বিষয়৷ এবং, এমন কারণে, যোগ অনুশীলনে সমাজের বিভিন্ন অংশের আরও বেশি সংখ্যক মানুষ উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠবেন বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের বিভিন্ন অংশ৷

----
--