নয়াদিল্লি: দেশের হাতে যথেষ্ট অস্ত্র নেই। একমাস টানা লড়াই করার মত ক্ষমতাও নেই। তাই এবার দেশের বিভিন্ন কারখানায় অস্ত্র তৈরির জন্য ১৫০০০ কোটি টাকা খরচ করতে চলেছে কেন্দ্র। সাত রকমের অস্ত্র তৈরি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

সেনা সূত্রে দাবি, এই মুহূর্তে তাদের হাতে যা আছে তা, টানা দশদিনের যুদ্ধেই ফুরিয়ে যাবে। গোলাগুলির জন্য অন্যান্য দেশের উপর নির্ভরশীলতা কাটাতে দেশের বেসরকারি অস্ত্র প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে কাজে লাগাতে চাইছে সরকার। আপাতত অরড্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডের হাতে ৪১ টি অস্ত্র প্রস্তুতকারী কারখানা রয়েছে। গোলাগুলির অভাব পুরণে এই কারখানাগুলি, বিদেশি কোম্পানিগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে পারে বলে খবর। সংশ্লিষ্ট এক পদস্থ কর্তা জানান, ‘গোলাগুলি নির্মাণের এই দেশীয় উদ্যোগ ১০ বছরের মধ্যে ক্রমশ আমাদের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনবে।’

এদিকে, ২০১৬-তে জম্মু-কাশ্মীরের উরিতে পাক হামলা নাহলে বোধহয় নিরাপত্তার এই বেহাল দশা চোখেই পড়তো না। ওই হামলার পরেই জানা যায়, দেশের সেনা সদস্যের সংখ্য়া ১৩ লক্ষেরও বেশি হলেও, যুদ্ধ করার মতো যথেষ্ট অস্ত্রশস্ত্র গোলাগুলি নেই দেশে। তারপরই এই বিষয়ে খোঁজখবর শুরু হয়। জানা যায় শুধু স্থলবাহিনী নয়, একই হাল বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীরও। অথচ দেশে সবসময় অন্তত ৪০ দিন ‘তীব্র যুদ্ধ’ যুদ্ধ চালানোর মতো গোলাগুলি মজুত থাকা প্রয়োজন।

----
--