কলকাতা: স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষক অনুপাতকে কেন্দ্র করে বহু সময় অভিযোগ ওঠে৷ সমস্যা সমাধানে কলেজ ও ইউনিভার্সিটি পাশ পড়ুয়াদের স্কুলে ইন্টার্ন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে৷ তবে পুরো বিষয়টি আপাতত বিবেচনাস্তরে রয়েছে বলে নবান্নে জানান মুখমন্ত্রী৷ এছাড়াও পঞ্চম শ্রেণিকে প্রথমিক স্তরের অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে৷

এক্ষেত্রে উচ্চ-প্রাথমিকে পড়ানোর জন্য ইন্টার্ন শিক্ষকদের দু’হাজার ও দশম ও দ্বাদশ পর্যায়ে যারা পড়বেন তাদের মাসিক ভাতা আড়াই হাজার টাকা করা হতে পারে৷ দু’বছরের জন্য নিয়োগ করা হবে এই শিক্ষকদের৷ যারা ভালো কাজ করবেন পরবর্তীসময়ে চাকরির ক্ষেত্রে তাদের সুবিধা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী৷

আরও পড়ুন: ‘হরিদাস ভাইপো’ অভিষেকের বিরুদ্ধে সিবিআই-এর কাছে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন সৌমিত্র

বিভিন্ন জেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে সেন্ট জেভিয়ার্স মডেল অনুসরণ করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এদিন বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ সেখানেই গঠন করা হয় কমিটি৷ যার সদস্য করা হয় শিক্ষামন্ত্রী. উচ্চ শিক্ষা সচিবকে৷ এছাড়া কমিটিতে রাখা হয়েছে কলকাতা ও প্রসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে৷

কীভাবে রাজ্যের আওতাধীন নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয়গুলি জেলা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারে তা নির্ধারণ করবে এই কমিটি৷ মুখ্যমন্ত্রী জানান, জেলা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পাঠ্যসূচি তৈরি, গবেষনাগার নির্মাণ, কীভাবে এগিয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তা ঠিক করতে সাহায্য করবে কলকাতা, প্রসিডেন্সির মতো বিশ্ববিদ্যালয়গুলি৷

আরও পড়ুন: লোকসভা নির্বাচনের আগে ৮টি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন মোদীকে

বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘রাজ্যে শিক্ষার ব্যাপ্তি বাড়ছে৷ জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে৷ সেখানে কী পড়ানো হবে, কীভাবে চলবে বিশ্ববিদ্যালয় তাতে সাহায্য করবে ঐতিহ্যশালী, নামজাদা বিশ্ব বিদ্যালয়গুলি৷’’
এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২০১১ সাল পর্যন্ত রাজ্যে ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল৷ তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর তা বেড়ে হয়েছে ২৮টি৷ প্রস্তাব আকারে রয়েছে আরও ১০টি৷ বেড়েছে প্রায় ৫০টি কলেজও৷ বাড়ানো হয়েছে কলেজের আসন সংখ্যা৷ স্কুল শিক্ষায় ভরতি ১৩ লক্ষ থেকে বেড়ে হয়েছে ২০ লক্ষ৷

এদিন নবান্নের বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বৈঠকে টাকা না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী৷

--
----
--