দুই সন্তান নীতি আসতে চলেছে ভারতে!

নয়াদিল্লি: বিপুল হারে বেড়ে চলেছে দেশের জনসংখ্যা। এই অবস্থায় তা নিয়ন্ত্রণ করতে আসরে নামলেন একদল সাংসদ। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল করলেন রাষ্ট্রপতির কাছে।

বাদল অধিবেশনের মাঝেই শাসকদলের বেশ কয়েকজন সাংসদ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিলের খসড়া প্রস্তুত করেছেন। এবং সেই বিল আইনে পরিণত করার জন্য খসড়াটি পাঠানো হয়েছে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে। তিনি সিলমোহর দিলেই তা পরিণত হবে আইনে।

আরও পড়ুন- ‘পাকিস্তান গেলে সিধুকে দেশদ্রোহীর তকমা দেওয়া হবে’

- Advertisement -

যদি এই আইন পাস হয় বা বিলটি আইনসভায় পাস হয়ে যায় তাহলে সমগ্র দেশ জুড়ে দুই সন্তান নীতি চালু হয়ে যাবে। এই নীতি নিয়ে আগে সচেতনতার প্রচার করা হয়েছিল। রাস্তায় অনেক বড় বড় হোর্ডিং বা পোস্টারে লেখা থাকতো ‘হাম দো, হামারে দো’। যদিও তখন কোন আইন ছিল না। আইনের বিষয়টি দেশে একেবারেই নতুন।

আইন পাস হয়ে গেলে প্রতি পরিবার তথা দম্পতি দু’টির বেশি সন্তান নিতে পারবেন না। দুইয়ের বেশি সন্তান হলে পাওয়া যাবে না সরকারি সুযোগ-সুবিধা। যদিও প্রথম দুই সন্তান সরকারি সুবিধা পাবে। তৃতীয় বা তার পরের সন্তানদের ক্ষেত্রে সরকারি সুবিধা দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন- উমর খলিদকে গুলি, কলকাতায় বিজেপি দফতরে জানেন কারা হামলা করবে?

এই নীতি আগে ভিয়েতনামে চালু হয়েছিল। পরে চিনেও তা কার্যকর হয়। চিনে এই মুহূর্তে দুই সন্তান নীতি চালু রয়েছে। আগে ওই দেশে এক সন্তান নীতি চালু ছিল।

ভারতে তীব্র হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে চাপ বাড়ছে অর্থনীতির উপরে। বাড়ছে মুদ্রাস্ফীতি। শুধু তাই নয়, বর্তমানে এমন অনেক পরিবার রয়েছে যারা একটিমাত্র সন্তানের আহারের জন্যেও উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে পারে না। এছাড়াও ভারতের অনেক গ্রামে মহিলাদের সন্তান উৎপাদনের মেশিন বলে গণ্য করা হয়। পুত্র সন্তান না জন্মালে পরিবারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় কোপ পরেতে পারে বলেও মনে করে অনেকে। সেই পুত্র সন্তানের আশাতেও অনেকে একাধিক সন্তান নেয় এবং বেড়ে যায় জনসংখ্যা।

আরও পড়ুন- সীমান্তে ভারত-পাক মিষ্টিমুখ

২০১৬ সালেই কেন্দ্রে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল পাস করাতে চেয়েছিল কেন্দ্র। সেই বিল অনুসারে আইন পাস হওয়ার পর এক বছর সময়ের মধ্যে কোন দম্পতির তৃতীয় সন্তান হলে সে সরকারি সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না।

Advertisement ---
-----