স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: একসঙ্গে দু’জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়৷ ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার সিহিগ্রামে৷ রাজেশ মাণ্ডি ও অনিতা হাসদা নামে দুজনের ঝুলন্ত দেহ মেলে রাজেশ মান্দির ঘরে৷

মৃত রাজেশ মাণ্ডির(৩২) বাড়ি মন্তেশ্বর থানার সিহি গ্রামে৷ জানা গিয়েছে তাঁর দুই মেয়েকে নিয়ে তাঁর স্ত্রী সুন্দরী মান্দি বাপের বাড়ি গিয়েছিলেন৷ পাশের গ্রামেই তাঁর বাপের বাড়ি৷

এদিকে একই গ্রামের বাসিন্দা অনিতা হাসদা(২৭)-র স্বামী সুনীল হাসদা ট্রাক্টর চালক৷ তিনি কাজের আশায় মেদিনীপুরে গিয়েছিলেন বলে খবর৷ এদিকে অনিতা হাসদার মেয়ে বাড়িতে মা কে খুঁজে না পেয়ে রাজেশ মাণ্ডির বাড়িতে পৌঁছয়৷ সেখানে গিয়ে সে তার মা ও রাজেশ মাণ্ডিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে৷

এসময় জমিতে আলু তোলার কাজ চলছে বলে চালক সুনীল হাসদা কাজের খোঁজে মেদিনীপুর যান৷ অপরদিকে রাজেশ মাণ্ডির স্ত্রী বাপের বাড়ি যাওয়ায় রাজেশ মান্দির বাড়িও ফাঁকা ছিল৷ এসময় কিকরে বা কেন রাজেশ মান্দি ও অনিতা হাসদার ঝুলন্ত দেহ পাওয়া গেল সে নিয়ে ধন্ধে পুলিশ৷ জানা গিয়েছে রাজেশ মাণ্ডি ও অনিতা হাসদার মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক ছিল৷ এঁরা দুজনে আত্মহত্যা করেছেন নাকি এর পিছনে রহস্য রয়েছে তার তদন্তে নেমেছে পুলিশ৷

এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য রয়েছে৷ মৃত রাজেশ মাণ্ডির ঘরে দুজনের সিলিং থেকে ঝুলন্ত দেহ দেখে গ্রামের লোকই পুলিশে খবর দেন৷ পুলিশ এসে মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই পরেই কিছু বলা সম্ভব বলে পুলিশ সূত্রে জানান হয়েছে৷ পাশের গ্রামে বাপের বাড়িতে ঘটনার খবর দেওয়া হয় মৃত রাজেশ মাণ্ডির স্ত্রী সুন্দরী মান্দিকে৷ এদিকে অনিতা হাসদার স্বামীকেও ঘটনার খবর দেওয়া হয়েছে৷

----
--