স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: বাবার স্বপ্ন ছিল সাধারণ মানুষের জন্য একটি রাধাকৃষ্ণের মন্দির স্থাপন করার। কিন্তু অর্থাভাবে তা করতে পারেননি। বাবা পরলোকে গমন করলেও তাঁর ইচ্ছা পূরণের জন্য ছেলে রমেশ ও সমেশ সাঁতরা মহিষাদলের মধ্যহিংলীতে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রাধাকৃষ্ণের মন্দির গড়ে তোলেন। সেই মন্দিরের প্রবেশদ্বার উন্মুক্ত করেন পরিবহন ও পরিবেশ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷

স্থানীয় শিল্পী সমীর পালের হাত দিয়ে মন্দির ও মন্দিরের দেব-দেবী নির্মিত হয়। মন্দির উদ্বোধনের পাশাপাশি এলাকার ২০০ দরিদ্র মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। মন্দির প্রতিষ্ঠাতা রমেশ ও সমেশ সাঁতরা বলেন, ‘‘আমরা ছোট থেকে কষ্ট করে বড় হয়েছি। কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করে রাইস মিলে চাল তৈরির ব্যবসা করে থাকি। ব্যবসার উৎপাদিত অর্থের কিছু অর্থ দিয়ে মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়। মন্দিরটি সাধারণ মানুষের জন্য প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মন্দিরের পাশাপাশি সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে। মন্দিরে এলেই মনের মধ্যে সমস্ত দুঃখ কষ্ট ভুলে যাওয়া যাবে।’’

শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ আনন্দময় অধিকারী, বিন্দুবালা সাঁতরা, মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিউলি দাস, সহ সভাপতি তিলক চক্রবর্তী, শিক্ষাবিদ হরিপদ মাইতি সহ অন্যান্যরা। মানুষের জন্য এই ধরনের প্রার্থনা গৃহ গড়ে তোল জন্য সাঁতরা পরিবারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।