১০৭ বিলিয়ন বাতিল নোট ফেরেনি আরবিআই-তে

নয়াদিল্লি: ২০১৬ তে পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করার কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই বছরের ৮ নভেম্বর ঘোষণার পরই ব্যাংকে জমা পড়ে সেইসব পুরনো নোট। গত দু’বছরে কত নোট জমা পড়েছে, আর কত নোট ফেরৎ আসেনি, তার একটি হিসেব প্রকাশ করেছে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া।

বুধবার একটি বার্ষিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ায় জমা পড়েছে ১৫.৩ ট্রিলিয়ন বাতিল নোট। অর্থাৎ মোট বাতিল হওয়া নোটের ৯৯.৩ শতাংশ। এই রিপোর্টেই উল্লেখ, এখনও জমা পড়েনি ১০৭ বিলিয়ন বাতিল নোট।

সরকারের অনুমান ছিল, ৫ ট্রিলিয়ন বাতিল নোট ফিরবে না। ট্যাক্স দেওয়ার ভয়ে অবৈধভাবে ফেরৎ না আসা নোট নষ্ট করে ফেলা হয়েছে বলেই অনুমান। নোট বাতিলের পর গত বছর আরবিআইয়ের লাভের পরিমাণ অর্থেক করে নতুন নোট ছাপাতে হয়। চলতি বছরে লভ্যাংশ হিসেবে সরকারকে দেওয়া হয়েছে ৫০০ বিলিয়ন। গত বছর দেওয়া হয়েছিল ৩০৬.৬ বিলিয়ন। আরবিআই-এর আর্থিক বছর হয় জুলাই থেকে পরের বছরের জুন পর্যন্ত।

- Advertisement -

অন্যদিকে, একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, নোটবন্দির জেরে মার খেয়েছে জিডিপি আর সংসদীয় কমিটির সেই রিপোর্টই চেপে দিতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টির সাংসদরা৷ ২০১৬ সালের নভেম্বরে নরেন্দ্র মোদী সরকার তখন বাজারে চালু ৫০০ এবং ১০০০টাকার নোটকে নিষিদ্ধ করে ৷ তার ফলে জিডিপি ১ শতাংশ কমে গিয়েছে বলেই রিপোর্ট দিয়েছে সংসদীয় কমিটি ৷ এমনই এক রিপোর্ট দিয়েছে ‘মিরর নাও’।

এই সংসদীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ অগস্ট যার অর্থ হল এই রিপোর্টটি আর সংসদে পেশ করা হবে না৷ কারণ ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই কমিটিতে নতুন সদস্যরা নির্বাচিত হয়ে আসছেন৷ বিজেপি সদস্যরা এই রিপোর্ট পেশে এবং তা নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে যাতে নোটবন্দির জেরে দেশজুড়ে ছোট থেকে বড় শিল্পে প্রভাব পড়েছে কিনা আলোচনা না হয়৷ কারণ বিজেপি এখন তাদের ভাবমূর্তি ইতিবাচক রাখতে বদ্ধপরিকর৷

Advertisement ---
---
-----